মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় আসিয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের ফাঁকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বৈঠকে জয়শঙ্কর বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, পারস্পরিক স্বার্থ এবং একে অপরের সংবেদনশীলতার প্রতি সম্মান দেখিয়েই ভারত ও চীনের মধ্যে একটি স্থিতিশীল ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলা সম্ভব। তার মতে, এমন সম্পর্ক বহুধ্রুব এশিয়া এবং বহুধ্রুব বিশ্বের জন্যও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ভারত-চীন সম্পর্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার পথে এগোচ্ছে। এই ইতিবাচক ধারা বজায় রাখতে উভয় পক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুটি বড় প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারত ও চীনের নিজস্ব স্বার্থ থাকা স্বাভাবিক। তবে উভয় দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব এ বিষয়ে একমত যে, মতপার্থক্য যেন কোনো অবস্থাতেই বিরোধে রূপ না নেয়।
তিনি সাম্প্রতিক সময়ে সরাসরি বিমান চলাচল চালু, নতুন ভিসা ব্যবস্থা এবং সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় শুরুর উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
তবে বাজারে প্রবেশের সুযোগ, বাণিজ্য ভারসাম্য এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতার মতো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনো অমীমাংসিত রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন জয়শঙ্কর।
একই সঙ্গে সরকারি পর্যায়ের প্রতিনিধি এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে বিভিন্ন কাঠামোগত বৈঠক এগিয়ে নেওয়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় আসিয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের ফাঁকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বৈঠকে জয়শঙ্কর বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, পারস্পরিক স্বার্থ এবং একে অপরের সংবেদনশীলতার প্রতি সম্মান দেখিয়েই ভারত ও চীনের মধ্যে একটি স্থিতিশীল ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলা সম্ভব। তার মতে, এমন সম্পর্ক বহুধ্রুব এশিয়া এবং বহুধ্রুব বিশ্বের জন্যও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ভারত-চীন সম্পর্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার পথে এগোচ্ছে। এই ইতিবাচক ধারা বজায় রাখতে উভয় পক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুটি বড় প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারত ও চীনের নিজস্ব স্বার্থ থাকা স্বাভাবিক। তবে উভয় দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব এ বিষয়ে একমত যে, মতপার্থক্য যেন কোনো অবস্থাতেই বিরোধে রূপ না নেয়।
তিনি সাম্প্রতিক সময়ে সরাসরি বিমান চলাচল চালু, নতুন ভিসা ব্যবস্থা এবং সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় শুরুর উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
তবে বাজারে প্রবেশের সুযোগ, বাণিজ্য ভারসাম্য এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতার মতো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনো অমীমাংসিত রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন জয়শঙ্কর।
একই সঙ্গে সরকারি পর্যায়ের প্রতিনিধি এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে বিভিন্ন কাঠামোগত বৈঠক এগিয়ে নেওয়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন