ইসরাইলি সেনাবাহিনীর গিভাতি ব্রিগেডের ‘তজাবার’ ব্যাটালিয়নের প্রায় ১০০ জন সেনাসদস্য তাদের কমান্ডারদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছেন। এ সময় তারা নিজেদের সঙ্গে থাকা অস্ত্র ঘাঁটিতে রেখে নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত ‘সদে তেইমান’ ঘাঁটি ত্যাগ করেন। কমান্ডারদের প্রতি ক্ষোভ থেকে আয়োজিত এক প্রতিবাদের জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম ‘ওয়াইনেট’। খবর আলজাজিরা।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র জানান, ব্যাটালিয়নের কমান্ডার ব্যাটালিয়নের পুরোনো ও নতুন সদস্যদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঐতিহ্যবাহী কিছু অস্বাভাবিক ঘটনা বহনকারী চিহ্ন ও প্রতীক সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়ার পর থেকেই বিরোধের শুরু হয়।
ওয়াইনেটের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাটালিয়নের সদস্যদের দাবি, অপসারণ করা প্রতীকগুলো গাজা ও লেবাননে যুদ্ধ চলাকালে তাদের সঙ্গে ছিল এবং পরবর্তীতে ধারাবাহিকভাবে নতুন সেনাদলের কাছে হস্তান্তর করা হতো। সেনাদের কাছে এসব স্মারক ব্যাটালিয়নের ঐতিহ্য এবং নিজেদের গভীর আত্মিক সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত ছিল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম ‘মারিভ’ জানায়, এ ঘটনার ফলে গাজায় পরিচালিতব্য যুদ্ধ অভিযানে অংশ নেওয়ার জন্য ব্যাটালিয়নটি আর উপযুক্ত অবস্থায় নেই।
অন্যদিকে ‘ইসরায়েল হায়োম’ পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সেনারা ও তাদের কমান্ডাররা সামরিক সরঞ্জাম ও অস্ত্রশস্ত্র ঘাঁটিতেই রেখে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত ব্যাগ সঙ্গে নিয়ে নিজ নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে ঘাঁটি ত্যাগ করেন।
সূত্র: আমার দেশ

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর গিভাতি ব্রিগেডের ‘তজাবার’ ব্যাটালিয়নের প্রায় ১০০ জন সেনাসদস্য তাদের কমান্ডারদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছেন। এ সময় তারা নিজেদের সঙ্গে থাকা অস্ত্র ঘাঁটিতে রেখে নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত ‘সদে তেইমান’ ঘাঁটি ত্যাগ করেন। কমান্ডারদের প্রতি ক্ষোভ থেকে আয়োজিত এক প্রতিবাদের জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম ‘ওয়াইনেট’। খবর আলজাজিরা।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র জানান, ব্যাটালিয়নের কমান্ডার ব্যাটালিয়নের পুরোনো ও নতুন সদস্যদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঐতিহ্যবাহী কিছু অস্বাভাবিক ঘটনা বহনকারী চিহ্ন ও প্রতীক সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়ার পর থেকেই বিরোধের শুরু হয়।
ওয়াইনেটের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাটালিয়নের সদস্যদের দাবি, অপসারণ করা প্রতীকগুলো গাজা ও লেবাননে যুদ্ধ চলাকালে তাদের সঙ্গে ছিল এবং পরবর্তীতে ধারাবাহিকভাবে নতুন সেনাদলের কাছে হস্তান্তর করা হতো। সেনাদের কাছে এসব স্মারক ব্যাটালিয়নের ঐতিহ্য এবং নিজেদের গভীর আত্মিক সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত ছিল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম ‘মারিভ’ জানায়, এ ঘটনার ফলে গাজায় পরিচালিতব্য যুদ্ধ অভিযানে অংশ নেওয়ার জন্য ব্যাটালিয়নটি আর উপযুক্ত অবস্থায় নেই।
অন্যদিকে ‘ইসরায়েল হায়োম’ পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সেনারা ও তাদের কমান্ডাররা সামরিক সরঞ্জাম ও অস্ত্রশস্ত্র ঘাঁটিতেই রেখে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত ব্যাগ সঙ্গে নিয়ে নিজ নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে ঘাঁটি ত্যাগ করেন।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন