শুক্রবার গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বাঘাই এ মন্তব্য করেন। নাইন ইলেভেনের বার্ষিকী উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী দেওয়া বক্তব্যকে তিনি অসংগতিতে ভরা বলে উল্লেখ করেন।
বাঘাই বলেন, একদিকে যুক্তরাষ্ট্র আগ্রাসন চালাচ্ছে, কাপুরুষোচিত হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করছে এবং বেসামরিক মানুষকে হতাহত করছে। অন্যদিকে তারাই সন্ত্রাসবাদের সংজ্ঞা নির্ধারণ এবং কোন ধরনের সহিংসতা বৈধ—তা নির্ধারণের একচ্ছত্র অধিকার দাবি করছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই দুটি অবস্থান একই সঙ্গে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
ইরানি এই মুখপাত্র আরো বলেন, নাইন ইলেভেনের হামলাকারীরা ইরানি নাগরিক ছিলেন না। বরং তারা এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিল, যাদের গত কয়েক দশকে যুক্তরাষ্ট্র নিজেই অস্ত্র সরবরাহ, সংগঠিত করা অথবা অন্য কোনো উপায়ে গড়ে তুলেছিল।
বাঘাইয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, নাইন ইলেভেনের হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র যে তথাকথিত ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ’ শুরু করে, তার পরিণতিতে আফগানিস্তান ও ইরাকে দীর্ঘদিন যুদ্ধ ও দখলদারিত্ব চলেছে। এতে ব্যাপক বেসামরিক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা ঘটে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, এমন বাস্তবতায় নাইন ইলেভেনের বার্ষিকীকে ইরানের বিরুদ্ধে ‘বেপরোয়া ও বেআইনি যুদ্ধের’ যৌক্তিকতা হিসেবে উপস্থাপন করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।
তিনি বলেন, একটি অপরাধমূলক যুদ্ধকে—যেখানে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের হত্যা করা হয়েছে এবং নারী ও শিশুসহ বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে—‘সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য করে তোলা সম্ভব নয়।
সূত্র: বার্তা সংস্থা মেহের

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বাঘাই এ মন্তব্য করেন। নাইন ইলেভেনের বার্ষিকী উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী দেওয়া বক্তব্যকে তিনি অসংগতিতে ভরা বলে উল্লেখ করেন।
বাঘাই বলেন, একদিকে যুক্তরাষ্ট্র আগ্রাসন চালাচ্ছে, কাপুরুষোচিত হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করছে এবং বেসামরিক মানুষকে হতাহত করছে। অন্যদিকে তারাই সন্ত্রাসবাদের সংজ্ঞা নির্ধারণ এবং কোন ধরনের সহিংসতা বৈধ—তা নির্ধারণের একচ্ছত্র অধিকার দাবি করছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই দুটি অবস্থান একই সঙ্গে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
ইরানি এই মুখপাত্র আরো বলেন, নাইন ইলেভেনের হামলাকারীরা ইরানি নাগরিক ছিলেন না। বরং তারা এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিল, যাদের গত কয়েক দশকে যুক্তরাষ্ট্র নিজেই অস্ত্র সরবরাহ, সংগঠিত করা অথবা অন্য কোনো উপায়ে গড়ে তুলেছিল।
বাঘাইয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, নাইন ইলেভেনের হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র যে তথাকথিত ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ’ শুরু করে, তার পরিণতিতে আফগানিস্তান ও ইরাকে দীর্ঘদিন যুদ্ধ ও দখলদারিত্ব চলেছে। এতে ব্যাপক বেসামরিক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা ঘটে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, এমন বাস্তবতায় নাইন ইলেভেনের বার্ষিকীকে ইরানের বিরুদ্ধে ‘বেপরোয়া ও বেআইনি যুদ্ধের’ যৌক্তিকতা হিসেবে উপস্থাপন করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।
তিনি বলেন, একটি অপরাধমূলক যুদ্ধকে—যেখানে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের হত্যা করা হয়েছে এবং নারী ও শিশুসহ বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে—‘সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য করে তোলা সম্ভব নয়।
সূত্র: বার্তা সংস্থা মেহের

আপনার মতামত লিখুন