রাজধানীর হাতিরঝিলে কাঁচামাল ব্যবসায়ী এমাদুল হাওলাদার রাজু (৪৮) হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার প্রধান আসামি মো. বজলু মিয়া ওরফে বজুকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার স্ত্রী সাথী আক্তারের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালত এ আদেশ দেন।
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাতিরঝিল থানার এসআই মো. নাসিম দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে তাদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, নিহত এমাদুল হাওলাদার রাজু কারওয়ান বাজারে কাঁচামালের ব্যবসা করতেন। একই বাজারে প্রধান আসামি বজলু মিয়াও ব্যবসা করতেন। ব্যবসায়িক লেনদেনকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৮ জুলাই সন্ধ্যায় ব্যবসার বিষয়ে কথা বলার কথা বলে বজলু রাজুকে নিজের বাসায় ডেকে নেন। সেখানে কথোপকথনের একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পিঠের ডান পাশে আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে মগবাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রিমান্ড আবেদনে আরও বলা হয়, ঘটনার পর অভিযুক্তরা হাসপাতাল থেকে কৌশলে পালিয়ে যান।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন, ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার এবং পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের স্বার্থে প্রধান আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, এ ঘটনায় গত ২৯ জুলাই হাতিরঝিল থানায় নিহতের বড় বোন শাহানা বেগম একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
সূত্র: কালবেলা

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
রাজধানীর হাতিরঝিলে কাঁচামাল ব্যবসায়ী এমাদুল হাওলাদার রাজু (৪৮) হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার প্রধান আসামি মো. বজলু মিয়া ওরফে বজুকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার স্ত্রী সাথী আক্তারের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালত এ আদেশ দেন।
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাতিরঝিল থানার এসআই মো. নাসিম দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে তাদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, নিহত এমাদুল হাওলাদার রাজু কারওয়ান বাজারে কাঁচামালের ব্যবসা করতেন। একই বাজারে প্রধান আসামি বজলু মিয়াও ব্যবসা করতেন। ব্যবসায়িক লেনদেনকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৮ জুলাই সন্ধ্যায় ব্যবসার বিষয়ে কথা বলার কথা বলে বজলু রাজুকে নিজের বাসায় ডেকে নেন। সেখানে কথোপকথনের একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পিঠের ডান পাশে আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে মগবাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রিমান্ড আবেদনে আরও বলা হয়, ঘটনার পর অভিযুক্তরা হাসপাতাল থেকে কৌশলে পালিয়ে যান।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন, ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার এবং পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের স্বার্থে প্রধান আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, এ ঘটনায় গত ২৯ জুলাই হাতিরঝিল থানায় নিহতের বড় বোন শাহানা বেগম একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
সূত্র: কালবেলা

আপনার মতামত লিখুন