শুক্রবার (৭ আগস্ট) মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে ‘রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ নামের বিলটি ভোটে তোলা হয়। ১০০ সদস্যের সিনেটে বিলটির পক্ষে ভোট দেন ৮৬ জন। বিপক্ষে ভোট পড়ে ১১টি এবং তিনজন সিনেটর ভোটদানে বিরত থাকেন।
বিলটির অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন সাবেক সিনেটর লিন্ডসে ও. গ্রাহাম, যিনি ১১ জুলাই মারা যান। প্রস্তাবিত বিল অনুযায়ী, ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও যেসব দেশ রাশিয়া থেকে বড় পরিমাণে তেল ও জ্বালানি পণ্য কিনে দেশটির যুদ্ধের অর্থায়নে সহায়তা করেছে, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে সেসব দেশের পণ্যে ১০০ শতাংশ রপ্তানি শুল্ক আরোপ করতে পারবে।
সিনেটে অনুমোদনের পর বিলটি এখন প্রতিনিধি পরিষদে পাঠানো হবে। কংগ্রেসের নিম্নকক্ষের অধিবেশন ৩১ আগস্ট থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে বিলটি পাস হলে তা প্রেসিডেন্টের অনুমোদনের জন্য হোয়াইট হাউসে পাঠানো হবে। প্রেসিডেন্ট স্বাক্ষর করলেই বিলটি আইনে পরিণত হবে।
প্রস্তাবিত আইন কার্যকর হলে ভারত ও চীনের পাশাপাশি আজারবাইজান, হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়াও অতিরিক্ত শুল্কের আওতায় পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এসব দেশ জ্বালানি তেল ও গ্যাসের জন্য রাশিয়ার ওপর উল্লেখযোগ্যভাবে নির্ভরশীল। ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালেও তাদের এই নির্ভরতা অব্যাহত রয়েছে।
তবে বিলটিতে শুধু রাশিয়ার জ্বালানি ক্রয়কারী দেশগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়নি। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, দেশটির ধনকুবের এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব রয়েছে।
এ ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে বর্তমানে কার্যকর থাকা নিষেধাজ্ঞা ২০৩১ সাল পর্যন্ত বহাল রাখার বিষয়টিও প্রস্তাবিত আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
শুক্রবার (৭ আগস্ট) মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে ‘রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ নামের বিলটি ভোটে তোলা হয়। ১০০ সদস্যের সিনেটে বিলটির পক্ষে ভোট দেন ৮৬ জন। বিপক্ষে ভোট পড়ে ১১টি এবং তিনজন সিনেটর ভোটদানে বিরত থাকেন।
বিলটির অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন সাবেক সিনেটর লিন্ডসে ও. গ্রাহাম, যিনি ১১ জুলাই মারা যান। প্রস্তাবিত বিল অনুযায়ী, ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও যেসব দেশ রাশিয়া থেকে বড় পরিমাণে তেল ও জ্বালানি পণ্য কিনে দেশটির যুদ্ধের অর্থায়নে সহায়তা করেছে, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে সেসব দেশের পণ্যে ১০০ শতাংশ রপ্তানি শুল্ক আরোপ করতে পারবে।
সিনেটে অনুমোদনের পর বিলটি এখন প্রতিনিধি পরিষদে পাঠানো হবে। কংগ্রেসের নিম্নকক্ষের অধিবেশন ৩১ আগস্ট থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে বিলটি পাস হলে তা প্রেসিডেন্টের অনুমোদনের জন্য হোয়াইট হাউসে পাঠানো হবে। প্রেসিডেন্ট স্বাক্ষর করলেই বিলটি আইনে পরিণত হবে।
প্রস্তাবিত আইন কার্যকর হলে ভারত ও চীনের পাশাপাশি আজারবাইজান, হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়াও অতিরিক্ত শুল্কের আওতায় পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এসব দেশ জ্বালানি তেল ও গ্যাসের জন্য রাশিয়ার ওপর উল্লেখযোগ্যভাবে নির্ভরশীল। ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালেও তাদের এই নির্ভরতা অব্যাহত রয়েছে।
তবে বিলটিতে শুধু রাশিয়ার জ্বালানি ক্রয়কারী দেশগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়নি। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, দেশটির ধনকুবের এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব রয়েছে।
এ ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে বর্তমানে কার্যকর থাকা নিষেধাজ্ঞা ২০৩১ সাল পর্যন্ত বহাল রাখার বিষয়টিও প্রস্তাবিত আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন