বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) গাজীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির লাইব্রেরি কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৯ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পাশের জজ কোর্টের সামনের সড়কে তাদের ওপর হঠাৎ হামলা চালানো হয়। অভিযোগ করা হয়, হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র ও হেলমেট ব্যবহার করে অ্যাডভোকেট রুহুল আমিনের মাথা ও চোখে আঘাত করেন। এতে তাকে হত্যার উদ্দেশ্য ছিল বলেও অভিযোগ করেন তারা। হামলায় রুহুল আমিন ও মাহীন হাসান শুভ আহত হন। পরে তাদের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, হামলার পর আইনজীবী ও স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি কয়েকজন অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। তবে পুলিশ অজ্ঞাত কারণে তাদের ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ করেন তারা।
চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। মামলাটি ১০২১/২০২৬ নম্বরে নথিভুক্ত হয়। পরে আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা আদালতের পরোয়ানা দ্রুত কার্যকর করে অভিযুক্তদের গ্রেফতার এবং আদালতে হাজির করার দাবি জানান। পাশাপাশি ভুক্তভোগী, মামলার বাদী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।
তাদের অভিযোগ, মামলা করার কারণে আসামিরা ক্ষুব্ধ হয়ে জীবননাশের হুমকি দিচ্ছেন। ফলে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
আইনজীবীরা হামলায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। তাদের মতে, জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আইনজীবীসহ সাধারণ মানুষের ওপর এ ধরনের হামলার ঘটনা আরও বাড়তে পারে। বিচার বিভাগের ওপর আস্থা রেখে তারা সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন (এজিপি), গাজীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম, অ্যাডভোকেট মোজাম্মেল, অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান রাসেল, অ্যাডভোকেট আল আমিন ইসলাম আশিক, অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ, অ্যাডভোকেট ওলিউল ইসলাম টুটুল, অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেন ও অ্যাডভোকেট মাহীন হাসান শুভ।
সূত্র: যুগান্তর

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) গাজীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির লাইব্রেরি কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৯ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পাশের জজ কোর্টের সামনের সড়কে তাদের ওপর হঠাৎ হামলা চালানো হয়। অভিযোগ করা হয়, হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র ও হেলমেট ব্যবহার করে অ্যাডভোকেট রুহুল আমিনের মাথা ও চোখে আঘাত করেন। এতে তাকে হত্যার উদ্দেশ্য ছিল বলেও অভিযোগ করেন তারা। হামলায় রুহুল আমিন ও মাহীন হাসান শুভ আহত হন। পরে তাদের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, হামলার পর আইনজীবী ও স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি কয়েকজন অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। তবে পুলিশ অজ্ঞাত কারণে তাদের ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ করেন তারা।
চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। মামলাটি ১০২১/২০২৬ নম্বরে নথিভুক্ত হয়। পরে আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা আদালতের পরোয়ানা দ্রুত কার্যকর করে অভিযুক্তদের গ্রেফতার এবং আদালতে হাজির করার দাবি জানান। পাশাপাশি ভুক্তভোগী, মামলার বাদী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।
তাদের অভিযোগ, মামলা করার কারণে আসামিরা ক্ষুব্ধ হয়ে জীবননাশের হুমকি দিচ্ছেন। ফলে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
আইনজীবীরা হামলায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। তাদের মতে, জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আইনজীবীসহ সাধারণ মানুষের ওপর এ ধরনের হামলার ঘটনা আরও বাড়তে পারে। বিচার বিভাগের ওপর আস্থা রেখে তারা সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন (এজিপি), গাজীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম, অ্যাডভোকেট মোজাম্মেল, অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান রাসেল, অ্যাডভোকেট আল আমিন ইসলাম আশিক, অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ, অ্যাডভোকেট ওলিউল ইসলাম টুটুল, অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেন ও অ্যাডভোকেট মাহীন হাসান শুভ।
সূত্র: যুগান্তর

আপনার মতামত লিখুন