ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সাবেক ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় মারা গেছেন। রোববার সকালে বীরভূমে তার বাড়ির কাছের তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলের পাশে একটি চিঠিও পাওয়া গেছে।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ের ভেতর থেকে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তা ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
উদ্ধার হওয়া চিঠিতে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, জীবনে কখনো দুর্নীতি বা ঘুষের সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন না। বিভিন্ন দুর্নীতির ঘটনায় তাকে মিথ্যাভাবে জড়ানোর অভিযোগে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। রাজনীতিতে যুক্ত হওয়াকে ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে পরিবারের পরবর্তী প্রজন্মকে রাজনীতি থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ধ্রুব সাহার কাছে পরাজিত হওয়ার পর আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় সক্রিয় রাজনীতি থেকে কিছুটা দূরে ছিলেন।
তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভার ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন। রামপুরহাট আসন থেকে তিনি পাঁচবার বিধায়ক নির্বাচিত হন।
২০০১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত টানা রামপুরহাটের বিধায়ক ছিলেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভাতেও দায়িত্ব পান তিনি। তিনি রাজ্যের সাবেক স্কুলশিক্ষামন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রী ছিলেন।
সূত্র: আমার দেশ

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সাবেক ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় মারা গেছেন। রোববার সকালে বীরভূমে তার বাড়ির কাছের তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলের পাশে একটি চিঠিও পাওয়া গেছে।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ের ভেতর থেকে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তা ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
উদ্ধার হওয়া চিঠিতে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, জীবনে কখনো দুর্নীতি বা ঘুষের সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন না। বিভিন্ন দুর্নীতির ঘটনায় তাকে মিথ্যাভাবে জড়ানোর অভিযোগে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। রাজনীতিতে যুক্ত হওয়াকে ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে পরিবারের পরবর্তী প্রজন্মকে রাজনীতি থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ধ্রুব সাহার কাছে পরাজিত হওয়ার পর আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় সক্রিয় রাজনীতি থেকে কিছুটা দূরে ছিলেন।
তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভার ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন। রামপুরহাট আসন থেকে তিনি পাঁচবার বিধায়ক নির্বাচিত হন।
২০০১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত টানা রামপুরহাটের বিধায়ক ছিলেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভাতেও দায়িত্ব পান তিনি। তিনি রাজ্যের সাবেক স্কুলশিক্ষামন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রী ছিলেন।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন