জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কমিটি যেকোনো সময় ঘোষণা হতে পারে। কমিটি গঠনের প্রস্তুতিও প্রায় শেষ পর্যায়ে। এদিকে শেষ মুহূর্তে পদপ্রত্যাশীদের লবিং-তদবির বেড়েছে। বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের কাছে নিজেদের অতীত কর্মকাণ্ড ও দলের জন্য অবদানের বিষয় তুলে ধরছেন পদপ্রত্যাশীরা। কাঙ্ক্ষিত পদে নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করতে তারা ব্যস্ত সময় পার করছেন।
নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষায় রয়েছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও। কেন্দ্রীয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কমিটিতে কারা নেতৃত্বে আসছেন, তা জানতে সংগঠনটির হাজারো নেতাকর্মী অপেক্ষা করছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, নতুন কমিটিতেও নবীন ও অভিজ্ঞদের সমন্বয় থাকতে পারে। নতুন কয়েকজন মুখ যেমন নেতৃত্বে আসতে পারেন, একই সঙ্গে আগে কেন্দ্র, বিশ্ববিদ্যালয় ও হল পর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়া নেতারাও গুরুত্ব পেতে পারেন।
ছাত্রদলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক—এই তিন গুরুত্বপূর্ণ পদ ঘিরে শেষ মুহূর্তে নেতাদের দৌড়ঝাঁপ চলছে। পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন কমিটিও ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে। পদপ্রত্যাশী নতুন নেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মিছিল ও পদযাত্রার মাধ্যমে নিজেদের সক্রিয়তার জানান দিচ্ছেন।
গত বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ শীর্ষ পাঁচ নেতা। রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
দলীয় সূত্র বলছে, এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে। নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে আন্দোলনে ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা, রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
নতুন কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে আলোচনায় থাকা ছাত্রনেতাদের মধ্যে রয়েছেন সর্বশেষ কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান, খোরশেদ আলম সোহেল, কাজী জিয়া উদ্দিন বাসেত, এজাজুল কবির রুয়েল, এইচএম আবু জাফর, আবিদুল ইসলাম খান আবিদ, শেখ তানভীর বারী হামিম, সালেহ মো. আদনান, মঞ্জুরুল আলম রিয়াদ, রিয়াদ রহমান, শরীফ প্রধান শুভ, ফারুক হোসেন, মমিনুল ইসলাম জিসান, ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল, তরিকুল ইসলাম তারিক, আনিসুর রহমান খন্দকার অনিক, রাজু আহমেদ ও মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স।
এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনের নামও আলোচনায় রয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে গাজী সাদ্দাম হোসেন, ইব্রাহিম খলিল, মাসুদুর রহমান মাসুদ, তারেক হাসান মামুন, নাছির উদ্দীন শাওন ও জাহিদ হাসান শাকিলের নামও শোনা যাচ্ছে।
আলোচনায় থাকা এসব নেতার মধ্য থেকেই কেন্দ্রীয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কমিটি গঠিত হতে পারে। প্রথমে ‘সুপার ফাইভ’ অথবা ‘সুপার সেভেন’ কমিটি ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে এই আংশিক কমিটিই পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবে।
আমান উল্লাহ আমানের সমর্থকদের দাবি, মাঠপর্যায়ের রাজনীতি এবং অতীতের ত্যাগের বিবেচনায় তার নাম জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব এবং বর্তমানে কেন্দ্রীয় সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে রাজপথে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান আবিদও ক্যাম্পাস রাজনীতিতে পরিচিত মুখ। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল মনোনীত প্যানেল থেকে ভিপি প্রার্থী হয়ে তিনি ৫ হাজার ৭০৮ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন আবিদ। তাকে ঘিরে তার সমর্থকদের মধ্যেও আশাবাদ রয়েছে।
অন্যদিকে আবিদের প্যানেল থেকে জিএস প্রার্থী হওয়া শেখ তানভীর বারী হামিমেরও ইতিবাচক ভাবমূর্তি রয়েছে। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে তিনি প্রশংসিত হয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীম উদ্দীন হল শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিসেবে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে তার ভূমিকা ছিল জোরালো। সমর্থকেরা নতুন কমিটিতে হামিমকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখতে চান।
সভাপতি পদপ্রত্যাশী কাজী জিয়া উদ্দিন বাসেত বলেন, ছাত্ররাজনীতিকে শিক্ষার্থীবান্ধব ও গ্রহণযোগ্য করে তুলতে হবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করতে হবে।
মমিনুল ইসলাম জিসান বলেন, সংগঠনের নেতাকর্মীরা নতুন কমিটির অপেক্ষায় রয়েছেন। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশ গঠনে ছাত্রদল ভূমিকা রাখবে।
রাজু আহমেদ বলেন, নতুন নেতৃত্ব ও নতুন উদ্যমে এগিয়ে যেতে সারা দেশের ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অপেক্ষা করছেন। তাদের প্রত্যাশা, সাংগঠনিক অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্রুত নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি উপহার দেবেন।
তবে পদপ্রত্যাশীদের বক্তব্যে একটি বিষয় পরিষ্কার—নতুন কমিটি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানই দেবেন। তিনি যাকে যে দায়িত্ব দেবেন, সেটিই মেনে নিয়ে সবাই সংগঠনের জন্য কাজ করবেন বলে তারা জানিয়েছেন।
২০২৪ সালের ১ মার্চ ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় আংশিক কমিটির দায়িত্ব পান বর্তমান সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির। একই সময়ে আবু আফসান মো. ইয়াহিয়া সিনিয়র সহসভাপতি, শ্যামল মালুম সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং আমান উল্লাহ আমান সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পান।
এরপর ২০২৪ সালের ১৫ জুন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২৬০ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
ছাত্রদলের খসড়া গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সংসদের মেয়াদ দুই বছর করার প্রস্তাব রয়েছে। সেই হিসাবে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে।
সূত্র: যুগান্তর

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কমিটি যেকোনো সময় ঘোষণা হতে পারে। কমিটি গঠনের প্রস্তুতিও প্রায় শেষ পর্যায়ে। এদিকে শেষ মুহূর্তে পদপ্রত্যাশীদের লবিং-তদবির বেড়েছে। বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের কাছে নিজেদের অতীত কর্মকাণ্ড ও দলের জন্য অবদানের বিষয় তুলে ধরছেন পদপ্রত্যাশীরা। কাঙ্ক্ষিত পদে নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করতে তারা ব্যস্ত সময় পার করছেন।
নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষায় রয়েছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও। কেন্দ্রীয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কমিটিতে কারা নেতৃত্বে আসছেন, তা জানতে সংগঠনটির হাজারো নেতাকর্মী অপেক্ষা করছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, নতুন কমিটিতেও নবীন ও অভিজ্ঞদের সমন্বয় থাকতে পারে। নতুন কয়েকজন মুখ যেমন নেতৃত্বে আসতে পারেন, একই সঙ্গে আগে কেন্দ্র, বিশ্ববিদ্যালয় ও হল পর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়া নেতারাও গুরুত্ব পেতে পারেন।
ছাত্রদলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক—এই তিন গুরুত্বপূর্ণ পদ ঘিরে শেষ মুহূর্তে নেতাদের দৌড়ঝাঁপ চলছে। পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন কমিটিও ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে। পদপ্রত্যাশী নতুন নেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মিছিল ও পদযাত্রার মাধ্যমে নিজেদের সক্রিয়তার জানান দিচ্ছেন।
গত বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ শীর্ষ পাঁচ নেতা। রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
দলীয় সূত্র বলছে, এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে। নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে আন্দোলনে ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা, রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
নতুন কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে আলোচনায় থাকা ছাত্রনেতাদের মধ্যে রয়েছেন সর্বশেষ কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান, খোরশেদ আলম সোহেল, কাজী জিয়া উদ্দিন বাসেত, এজাজুল কবির রুয়েল, এইচএম আবু জাফর, আবিদুল ইসলাম খান আবিদ, শেখ তানভীর বারী হামিম, সালেহ মো. আদনান, মঞ্জুরুল আলম রিয়াদ, রিয়াদ রহমান, শরীফ প্রধান শুভ, ফারুক হোসেন, মমিনুল ইসলাম জিসান, ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল, তরিকুল ইসলাম তারিক, আনিসুর রহমান খন্দকার অনিক, রাজু আহমেদ ও মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স।
এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনের নামও আলোচনায় রয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে গাজী সাদ্দাম হোসেন, ইব্রাহিম খলিল, মাসুদুর রহমান মাসুদ, তারেক হাসান মামুন, নাছির উদ্দীন শাওন ও জাহিদ হাসান শাকিলের নামও শোনা যাচ্ছে।
আলোচনায় থাকা এসব নেতার মধ্য থেকেই কেন্দ্রীয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কমিটি গঠিত হতে পারে। প্রথমে ‘সুপার ফাইভ’ অথবা ‘সুপার সেভেন’ কমিটি ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে এই আংশিক কমিটিই পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবে।
আমান উল্লাহ আমানের সমর্থকদের দাবি, মাঠপর্যায়ের রাজনীতি এবং অতীতের ত্যাগের বিবেচনায় তার নাম জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব এবং বর্তমানে কেন্দ্রীয় সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে রাজপথে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান আবিদও ক্যাম্পাস রাজনীতিতে পরিচিত মুখ। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল মনোনীত প্যানেল থেকে ভিপি প্রার্থী হয়ে তিনি ৫ হাজার ৭০৮ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন আবিদ। তাকে ঘিরে তার সমর্থকদের মধ্যেও আশাবাদ রয়েছে।
অন্যদিকে আবিদের প্যানেল থেকে জিএস প্রার্থী হওয়া শেখ তানভীর বারী হামিমেরও ইতিবাচক ভাবমূর্তি রয়েছে। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে তিনি প্রশংসিত হয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীম উদ্দীন হল শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিসেবে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে তার ভূমিকা ছিল জোরালো। সমর্থকেরা নতুন কমিটিতে হামিমকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখতে চান।
সভাপতি পদপ্রত্যাশী কাজী জিয়া উদ্দিন বাসেত বলেন, ছাত্ররাজনীতিকে শিক্ষার্থীবান্ধব ও গ্রহণযোগ্য করে তুলতে হবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করতে হবে।
মমিনুল ইসলাম জিসান বলেন, সংগঠনের নেতাকর্মীরা নতুন কমিটির অপেক্ষায় রয়েছেন। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশ গঠনে ছাত্রদল ভূমিকা রাখবে।
রাজু আহমেদ বলেন, নতুন নেতৃত্ব ও নতুন উদ্যমে এগিয়ে যেতে সারা দেশের ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অপেক্ষা করছেন। তাদের প্রত্যাশা, সাংগঠনিক অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্রুত নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি উপহার দেবেন।
তবে পদপ্রত্যাশীদের বক্তব্যে একটি বিষয় পরিষ্কার—নতুন কমিটি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানই দেবেন। তিনি যাকে যে দায়িত্ব দেবেন, সেটিই মেনে নিয়ে সবাই সংগঠনের জন্য কাজ করবেন বলে তারা জানিয়েছেন।
২০২৪ সালের ১ মার্চ ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় আংশিক কমিটির দায়িত্ব পান বর্তমান সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির। একই সময়ে আবু আফসান মো. ইয়াহিয়া সিনিয়র সহসভাপতি, শ্যামল মালুম সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং আমান উল্লাহ আমান সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পান।
এরপর ২০২৪ সালের ১৫ জুন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২৬০ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
ছাত্রদলের খসড়া গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সংসদের মেয়াদ দুই বছর করার প্রস্তাব রয়েছে। সেই হিসাবে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে।
সূত্র: যুগান্তর

আপনার মতামত লিখুন