সোমবার দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বর্তমান সরকারের ১৮০ দিনের ব্যর্থতার চিত্র তুলে ধরতে দলটির পলিসি ও রিসার্চবিষয়ক উপকমিটি এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, চলতি বছর গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। বাংলাদেশ যাতে পানির ন্যায্য হিস্যা পায়, সীমান্তে পুশইন বন্ধ থাকে এবং সীমান্ত হত্যা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়—এসব শর্ত পূরণের ভিত্তিতেই ভারতের সঙ্গে নতুন করে সম্পর্ক স্থাপন করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, এসব বিষয় সমাধানের আগে শেখ হাসিনা যে দিল্লিতে অবস্থান করছেন, সেখানে যদি আবার তারেক রহমান যান, তাহলে এর তাৎপর্য কী হবে—তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বাংলাদেশের জনগণ ও বিশ্ববাসী বিষয়টিকে কীভাবে দেখবে, সেটিও বিবেচনার বিষয়। নাহিদ ইসলামের মতে, এটি শুধু তারেক রহমানের বিষয় নয়; বাংলাদেশের জন্যও এটি একটি অবমাননাকর ঘটনা হবে। এতে এমন বার্তা যাবে যে, বাংলাদেশ স্বাধীনভাবে নিজের পররাষ্ট্রনীতি ও সার্বভৌমত্ব বজায় রেখে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছে না।
সংবাদ সম্মেলনে ‘সরকারের ১৮০ দিন: পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি থেকে পুরোনো রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন, অব্যবস্থাপনা, অদক্ষতা ও পরিকল্পনাহীনতা’ শিরোনামে একটি লিখিত বক্তব্যও পাঠ করেন নাহিদ ইসলাম।
লিখিত বক্তব্যে বিভিন্ন অধ্যায়ে অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা, জ্বালানি সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, গ্যাস সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হওয়া ও শ্রমিকদের চাকরির ঝুঁকি, বিদ্যুৎ সংকট এবং রেকর্ড লোডশেডিংয়ের বিষয় তুলে ধরা হয়।
এ ছাড়া কৃষকদের হয়রানি ও সারের সংকট, অর্থনৈতিক অপশাসন, ব্যাংক দখল ও বাজার সিন্ডিকেট, মেগা প্রকল্পে ব্যয় বৃদ্ধি ও লুটপাটের আয়োজন, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য নির্ধারণ নীতি বাতিল, হাম মহামারিতে ব্যবস্থাপনাগত ব্যর্থতা, বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়ন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, সাংবাদিকদের হয়রানি ও মামলা, গণভোটের গণরায় উপেক্ষা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ, রাজনৈতিক স্বজনপ্রীতি এবং নতুন মোড়কে র্যাবসহ বিভিন্ন বিষয় ও সেগুলোর বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়।
সূত্র: আমার দেশ

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
সোমবার দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বর্তমান সরকারের ১৮০ দিনের ব্যর্থতার চিত্র তুলে ধরতে দলটির পলিসি ও রিসার্চবিষয়ক উপকমিটি এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, চলতি বছর গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। বাংলাদেশ যাতে পানির ন্যায্য হিস্যা পায়, সীমান্তে পুশইন বন্ধ থাকে এবং সীমান্ত হত্যা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়—এসব শর্ত পূরণের ভিত্তিতেই ভারতের সঙ্গে নতুন করে সম্পর্ক স্থাপন করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, এসব বিষয় সমাধানের আগে শেখ হাসিনা যে দিল্লিতে অবস্থান করছেন, সেখানে যদি আবার তারেক রহমান যান, তাহলে এর তাৎপর্য কী হবে—তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বাংলাদেশের জনগণ ও বিশ্ববাসী বিষয়টিকে কীভাবে দেখবে, সেটিও বিবেচনার বিষয়। নাহিদ ইসলামের মতে, এটি শুধু তারেক রহমানের বিষয় নয়; বাংলাদেশের জন্যও এটি একটি অবমাননাকর ঘটনা হবে। এতে এমন বার্তা যাবে যে, বাংলাদেশ স্বাধীনভাবে নিজের পররাষ্ট্রনীতি ও সার্বভৌমত্ব বজায় রেখে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছে না।
সংবাদ সম্মেলনে ‘সরকারের ১৮০ দিন: পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি থেকে পুরোনো রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন, অব্যবস্থাপনা, অদক্ষতা ও পরিকল্পনাহীনতা’ শিরোনামে একটি লিখিত বক্তব্যও পাঠ করেন নাহিদ ইসলাম।
লিখিত বক্তব্যে বিভিন্ন অধ্যায়ে অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা, জ্বালানি সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, গ্যাস সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হওয়া ও শ্রমিকদের চাকরির ঝুঁকি, বিদ্যুৎ সংকট এবং রেকর্ড লোডশেডিংয়ের বিষয় তুলে ধরা হয়।
এ ছাড়া কৃষকদের হয়রানি ও সারের সংকট, অর্থনৈতিক অপশাসন, ব্যাংক দখল ও বাজার সিন্ডিকেট, মেগা প্রকল্পে ব্যয় বৃদ্ধি ও লুটপাটের আয়োজন, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য নির্ধারণ নীতি বাতিল, হাম মহামারিতে ব্যবস্থাপনাগত ব্যর্থতা, বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়ন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, সাংবাদিকদের হয়রানি ও মামলা, গণভোটের গণরায় উপেক্ষা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ, রাজনৈতিক স্বজনপ্রীতি এবং নতুন মোড়কে র্যাবসহ বিভিন্ন বিষয় ও সেগুলোর বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন