ঢাকা    মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

শিক্ষাঙ্গন

ডাকসুর আয়োজনে চীনা ৩১ প্রতিষ্ঠানে ৪৩০টির বেশি চাকরির সুযোগ

ডাকসুর আয়োজনে চীনা ৩১ প্রতিষ্ঠানে ৪৩০টির বেশি চাকরির সুযোগ
ডাকসুর আয়োজনে চীনা ৩১ প্রতিষ্ঠানে ৪৩০টির বেশি চাকরির সুযোগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য চীনের ৩১টি প্রতিষ্ঠানে ৪৩০টির বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। চাকরির মেলা ঘিরে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। কেউ জীবনবৃত্তান্ত নিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বুথে যান, আবার কেউ পছন্দের প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এর পাশাপাশি চীনের লায়ন ড্যান্স, তাই চি ও সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে সাংস্কৃতিক আয়োজনও ছিল।

গত ১৭ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় ‘সিনো-বাংলা ডে ২০২৬ : চাইনিজ এন্টারপ্রাইজ জব ফেয়ার’। বাংলাদেশে চীনা দূতাবাস ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এবং ডাকসু ও কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের আয়োজনে দিনব্যাপী এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থী অংশ নেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বুথে সিভি জমা দিয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ খোঁজেন শিক্ষার্থীরা।

আয়োজকদের মতে, আয়োজনটির উদ্দেশ্য শুধু চাকরি দেওয়া নয়; বরং বাংলাদেশ ও চীনের শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি যোগাযোগ গড়ে তোলা। ডাকসুর সাম্প্রতিক চীন সফরের পর চীনা দূতাবাস ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের ধারাবাহিকতায় এ চাকরি মেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলা মেলায় প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতের ৩১টি চীনা প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এসব প্রতিষ্ঠানে ৪৩০টির বেশি পদে চাকরির সুযোগ রাখা হয়। চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে প্রাথমিকভাবে চার শতাধিক সিভি নেওয়া হয়। আয়োজকরা জানান, প্রাথমিক বাছাই শেষে যোগ্য প্রার্থীদের সাক্ষাৎকারসহ অন্যান্য নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে নিয়োগ দেওয়া হবে।

শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থান নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সরাসরি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে এ ধরনের চাকরি মেলাকে বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন অংশগ্রহণকারীরা। চাকরির প্রচলিত দীর্ঘ আবেদন প্রক্রিয়ার পরিবর্তে শিক্ষার্থীরা সরাসরি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের কাছে নিজেদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।

মেলায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী সুমাইয়া জাফরিন বলেন, চাকরির কঠিন বাজারে উচ্চ বেতনের ৪৩০টির বেশি পদে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বেকার তরুণদের জন্য এমন বড় আয়োজন করতে ডাকসুর নেতারা দিন-রাত কাজ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আয়োজকদের ভাষ্য, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হওয়ার পর চাকরির বাজারে প্রবেশের আগে শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ করে দেওয়া ছিল আয়োজনটির অন্যতম লক্ষ্য। পাশাপাশি দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক কর্মবাজার সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।

চীন সফর থেকেই চাকরি মেলার উদ্যোগ

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম বলেন, তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারেনি। এ প্রাতিষ্ঠানিক ঘাটতির জায়গা থেকেই শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির দায়িত্ববোধ থেকে ডাকসু কাজ করছে।

তিনি বলেন, ‘সব ধরনের প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে আমরা এ ধরনের কার্যক্রম নিয়ে এগিয়ে যাব, যার মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীরা দুনিয়াজুড়ে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারবে।’

সাদিক কায়েম জানান, সম্প্রতি ডাকসুর একটি প্রতিনিধিদল চীন সফর করে। সেখানে তারা আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের পাশাপাশি চীনের বিশ্ববিদ্যালয়, ছাত্র সংসদ এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের উদ্যোগ নেয়। বাংলাদেশ ও চীনের মানুষের মধ্যে ‘পিপল-টু-পিপল কানেকশন’ আরও শক্তিশালী করার বিষয়টিও আলোচনায় আসে।

চীন সফর শেষে চীনা দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে ডাকসুর পক্ষ থেকে চাকরি মেলার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে দূতাবাস, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতায় মেলাটি আয়োজন করা হয়।

ডাকসু ভিপির দাবি, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ে এত বড় পরিসরে চাকরি মেলা আগে হয়নি। এবারের আয়োজনে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন খাতের ৩১টি চীনা প্রতিষ্ঠান অংশ নেয় এবং চার শতাধিক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়।

তবে আয়োজনটি শুধু চাকরির সুযোগ তৈরির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়টিও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট ও হুয়াওয়ে টেকনোলজিস লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। একই অনুষ্ঠানে ‘হুয়াওয়ে এআই ট্রেনিং প্রোগ্রাম’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ৩১টির বেশি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে প্রায় ৪৩০টি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য হুয়াওয়ের বছরব্যাপী বিনা মূল্যের এআই প্রশিক্ষণের সুযোগও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট ও সিএমসির যৌথ উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘সিনো-বাংলা ফ্রেন্ডশিপ’ স্কলারশিপ ও বার্সারি অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। ২০২৬ সালের চাইনিজ গভর্নমেন্ট স্কলারশিপ অর্জনকারীদের জন্য প্রাক-যাত্রা দিকনির্দেশনামূলক ওরিয়েন্টেশনও অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজকদের মতে, ‘সিনো-বাংলা ডে’ নামটির মধ্যেই দুই দেশের সম্পর্কের একটি বৃহত্তর বার্তা রয়েছে। চাকরি, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও সংস্কৃতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের তরুণদের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়ানোই এ আয়োজনের লক্ষ্য।

আয়োজনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকা ডাকসুর আন্তর্জাতিক সম্পাদক জসিম উদ্দীন খান আমার দেশকে বলেন, নতুন বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা তাদের অন্যতম লক্ষ্য।

সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬


ডাকসুর আয়োজনে চীনা ৩১ প্রতিষ্ঠানে ৪৩০টির বেশি চাকরির সুযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য চীনের ৩১টি প্রতিষ্ঠানে ৪৩০টির বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। চাকরির মেলা ঘিরে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। কেউ জীবনবৃত্তান্ত নিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বুথে যান, আবার কেউ পছন্দের প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এর পাশাপাশি চীনের লায়ন ড্যান্স, তাই চি ও সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে সাংস্কৃতিক আয়োজনও ছিল।

গত ১৭ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় ‘সিনো-বাংলা ডে ২০২৬ : চাইনিজ এন্টারপ্রাইজ জব ফেয়ার’। বাংলাদেশে চীনা দূতাবাস ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এবং ডাকসু ও কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের আয়োজনে দিনব্যাপী এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থী অংশ নেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বুথে সিভি জমা দিয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ খোঁজেন শিক্ষার্থীরা।

আয়োজকদের মতে, আয়োজনটির উদ্দেশ্য শুধু চাকরি দেওয়া নয়; বরং বাংলাদেশ ও চীনের শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি যোগাযোগ গড়ে তোলা। ডাকসুর সাম্প্রতিক চীন সফরের পর চীনা দূতাবাস ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের ধারাবাহিকতায় এ চাকরি মেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলা মেলায় প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতের ৩১টি চীনা প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এসব প্রতিষ্ঠানে ৪৩০টির বেশি পদে চাকরির সুযোগ রাখা হয়। চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে প্রাথমিকভাবে চার শতাধিক সিভি নেওয়া হয়। আয়োজকরা জানান, প্রাথমিক বাছাই শেষে যোগ্য প্রার্থীদের সাক্ষাৎকারসহ অন্যান্য নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে নিয়োগ দেওয়া হবে।

শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থান নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সরাসরি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে এ ধরনের চাকরি মেলাকে বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন অংশগ্রহণকারীরা। চাকরির প্রচলিত দীর্ঘ আবেদন প্রক্রিয়ার পরিবর্তে শিক্ষার্থীরা সরাসরি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের কাছে নিজেদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।

মেলায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী সুমাইয়া জাফরিন বলেন, চাকরির কঠিন বাজারে উচ্চ বেতনের ৪৩০টির বেশি পদে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বেকার তরুণদের জন্য এমন বড় আয়োজন করতে ডাকসুর নেতারা দিন-রাত কাজ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আয়োজকদের ভাষ্য, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হওয়ার পর চাকরির বাজারে প্রবেশের আগে শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ করে দেওয়া ছিল আয়োজনটির অন্যতম লক্ষ্য। পাশাপাশি দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক কর্মবাজার সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।

চীন সফর থেকেই চাকরি মেলার উদ্যোগ

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম বলেন, তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারেনি। এ প্রাতিষ্ঠানিক ঘাটতির জায়গা থেকেই শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির দায়িত্ববোধ থেকে ডাকসু কাজ করছে।

তিনি বলেন, ‘সব ধরনের প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে আমরা এ ধরনের কার্যক্রম নিয়ে এগিয়ে যাব, যার মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীরা দুনিয়াজুড়ে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারবে।’

সাদিক কায়েম জানান, সম্প্রতি ডাকসুর একটি প্রতিনিধিদল চীন সফর করে। সেখানে তারা আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের পাশাপাশি চীনের বিশ্ববিদ্যালয়, ছাত্র সংসদ এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের উদ্যোগ নেয়। বাংলাদেশ ও চীনের মানুষের মধ্যে ‘পিপল-টু-পিপল কানেকশন’ আরও শক্তিশালী করার বিষয়টিও আলোচনায় আসে।

চীন সফর শেষে চীনা দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে ডাকসুর পক্ষ থেকে চাকরি মেলার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে দূতাবাস, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতায় মেলাটি আয়োজন করা হয়।

ডাকসু ভিপির দাবি, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ে এত বড় পরিসরে চাকরি মেলা আগে হয়নি। এবারের আয়োজনে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন খাতের ৩১টি চীনা প্রতিষ্ঠান অংশ নেয় এবং চার শতাধিক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়।

তবে আয়োজনটি শুধু চাকরির সুযোগ তৈরির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়টিও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট ও হুয়াওয়ে টেকনোলজিস লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। একই অনুষ্ঠানে ‘হুয়াওয়ে এআই ট্রেনিং প্রোগ্রাম’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ৩১টির বেশি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে প্রায় ৪৩০টি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য হুয়াওয়ের বছরব্যাপী বিনা মূল্যের এআই প্রশিক্ষণের সুযোগও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট ও সিএমসির যৌথ উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘সিনো-বাংলা ফ্রেন্ডশিপ’ স্কলারশিপ ও বার্সারি অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। ২০২৬ সালের চাইনিজ গভর্নমেন্ট স্কলারশিপ অর্জনকারীদের জন্য প্রাক-যাত্রা দিকনির্দেশনামূলক ওরিয়েন্টেশনও অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজকদের মতে, ‘সিনো-বাংলা ডে’ নামটির মধ্যেই দুই দেশের সম্পর্কের একটি বৃহত্তর বার্তা রয়েছে। চাকরি, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও সংস্কৃতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের তরুণদের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়ানোই এ আয়োজনের লক্ষ্য।

আয়োজনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকা ডাকসুর আন্তর্জাতিক সম্পাদক জসিম উদ্দীন খান আমার দেশকে বলেন, নতুন বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা তাদের অন্যতম লক্ষ্য।

সূত্র: আমার দেশ


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - মোঃ ওলিউল্লাহ

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডাকসুর আয়োজনে চীনা ৩১ প্রতিষ্ঠানে ৪৩০টির বেশি চাকরির সুযোগ
0:00 0:00
1.0x