বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনের সময় পদায়ন ও পদোন্নতি নিয়ে দুদকের অভিযোগের বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল এবং ১৫০ জনকে পদোন্নতি দেওয়ার ঘটনায় মোট ২ কোটি ৭৬ লাখ টাকার দুর্নীতির অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এসব বিষয়ে তাঁর ব্যক্তিগত কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।
তিনি বলেন, ৩৮ কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিলের সিদ্ধান্তটি আদালতের রায় বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছিল। ২০২১ সালে নিয়মবহির্ভূতভাবে ১১২ জন কর্মকর্তাকে নবম গ্রেডের পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে আদালত ওই আদেশ অবৈধ ঘোষণা করলে দায়িত্বে থাকা ৩৮ কর্মকর্তাকে তাঁদের মূল পদে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
পদোন্নতির অভিযোগের বিষয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, ১৫০ জন নয়, পিএসসির সুপারিশের ভিত্তিতে ১৮২ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চাকরির রেকর্ড, এসিআর, বিভাগীয় মামলা এবং অন্যান্য তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের পরই পিএসসি সুপারিশ করেছিল বলে দাবি করেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাদের পদায়ন ও পদোন্নতির বিষয়টি সচিব পর্যায়ে নিষ্পত্তি করা হয়। দুটি আদেশের ক্ষেত্রেই সাইনিং অথরিটি ছিলেন সচিব, তিনি নন।
দুদকের এক কর্মকর্তা অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার কথা বলার পর পরবর্তী সময়ে সেই বক্তব্য থেকে সরে আসার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, এ ঘটনায় তাঁর ব্যক্তিগত মানহানি হয়েছে। তাই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুদককে ক্ষমা চেয়ে প্রকাশিত খবর প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি মানহানির মামলা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সূত্র: বিডি লাইভ ২৪

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনের সময় পদায়ন ও পদোন্নতি নিয়ে দুদকের অভিযোগের বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল এবং ১৫০ জনকে পদোন্নতি দেওয়ার ঘটনায় মোট ২ কোটি ৭৬ লাখ টাকার দুর্নীতির অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এসব বিষয়ে তাঁর ব্যক্তিগত কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।
তিনি বলেন, ৩৮ কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিলের সিদ্ধান্তটি আদালতের রায় বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছিল। ২০২১ সালে নিয়মবহির্ভূতভাবে ১১২ জন কর্মকর্তাকে নবম গ্রেডের পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে আদালত ওই আদেশ অবৈধ ঘোষণা করলে দায়িত্বে থাকা ৩৮ কর্মকর্তাকে তাঁদের মূল পদে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
পদোন্নতির অভিযোগের বিষয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, ১৫০ জন নয়, পিএসসির সুপারিশের ভিত্তিতে ১৮২ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চাকরির রেকর্ড, এসিআর, বিভাগীয় মামলা এবং অন্যান্য তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের পরই পিএসসি সুপারিশ করেছিল বলে দাবি করেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাদের পদায়ন ও পদোন্নতির বিষয়টি সচিব পর্যায়ে নিষ্পত্তি করা হয়। দুটি আদেশের ক্ষেত্রেই সাইনিং অথরিটি ছিলেন সচিব, তিনি নন।
দুদকের এক কর্মকর্তা অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার কথা বলার পর পরবর্তী সময়ে সেই বক্তব্য থেকে সরে আসার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, এ ঘটনায় তাঁর ব্যক্তিগত মানহানি হয়েছে। তাই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুদককে ক্ষমা চেয়ে প্রকাশিত খবর প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি মানহানির মামলা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সূত্র: বিডি লাইভ ২৪

আপনার মতামত লিখুন