মামলার তৃতীয় আসামি হলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সাবেক সভাপতি ও এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার।
দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার কমিশনের ঢাকা-১ কার্যালয়ে মামলাটি করেন।
দুদক সচিব সাইদুর রহমান খান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের অনুকূলে তহবিল সংগ্রহের মাধ্যমে অবৈধভাবে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি করা হয়েছে। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা ‘পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে’ ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে মোট ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের অনুকূলে সংগ্রহ করেন।
সূত্র: সমকাল

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মামলার তৃতীয় আসামি হলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সাবেক সভাপতি ও এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার।
দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার কমিশনের ঢাকা-১ কার্যালয়ে মামলাটি করেন।
দুদক সচিব সাইদুর রহমান খান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের অনুকূলে তহবিল সংগ্রহের মাধ্যমে অবৈধভাবে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি করা হয়েছে। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা ‘পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে’ ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে মোট ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের অনুকূলে সংগ্রহ করেন।
সূত্র: সমকাল

আপনার মতামত লিখুন