স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আড়ইল গ্রামের সাইদুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সার ডিলারের কাছ থেকে সার সংগ্রহ করে নিজ বাড়িতে মজুত করে আসছিলেন। পরে এসব সার কৃষকদের কাছে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করা হতো বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা সার ডিলারদের কাছ থেকে সংগ্রহ করে একটি চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। এর ফলে প্রয়োজনের সময় প্রকৃত কৃষকরা সরকারি নির্ধারিত দামে সার পাচ্ছেন না। অভিযোগ রয়েছে, মজুত করা সার পরে সুযোগ বুঝে বেশি দামে বিক্রি করা হতো।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই সাইদুর রহমানের বাড়িতে বিপুল পরিমাণ সার মজুতের বিষয়টি এলাকায় আলোচনায় ছিল। কৃষকরা সরকারি মূল্যে সার না পেলেও তার বাড়িতে বিপুল পরিমাণ সার থাকার খবর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি করে। পরে উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হলে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান সম্পর্কে দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাবিবা ফারজানা বলেন, বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাইদুর রহমানের বাড়ি থেকে প্রায় ৭০০ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। এসব সার কীভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং অবৈধভাবে মজুত কিংবা বেশি দামে বিক্রির সঙ্গে তিনি জড়িত কি না, তা তদন্ত করা হবে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: আমার দেশ

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আড়ইল গ্রামের সাইদুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সার ডিলারের কাছ থেকে সার সংগ্রহ করে নিজ বাড়িতে মজুত করে আসছিলেন। পরে এসব সার কৃষকদের কাছে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করা হতো বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা সার ডিলারদের কাছ থেকে সংগ্রহ করে একটি চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। এর ফলে প্রয়োজনের সময় প্রকৃত কৃষকরা সরকারি নির্ধারিত দামে সার পাচ্ছেন না। অভিযোগ রয়েছে, মজুত করা সার পরে সুযোগ বুঝে বেশি দামে বিক্রি করা হতো।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই সাইদুর রহমানের বাড়িতে বিপুল পরিমাণ সার মজুতের বিষয়টি এলাকায় আলোচনায় ছিল। কৃষকরা সরকারি মূল্যে সার না পেলেও তার বাড়িতে বিপুল পরিমাণ সার থাকার খবর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি করে। পরে উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হলে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান সম্পর্কে দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাবিবা ফারজানা বলেন, বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাইদুর রহমানের বাড়ি থেকে প্রায় ৭০০ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। এসব সার কীভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং অবৈধভাবে মজুত কিংবা বেশি দামে বিক্রির সঙ্গে তিনি জড়িত কি না, তা তদন্ত করা হবে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন