সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ভিনীত জোশীকে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে। একইসঙ্গে টি. কে. অনিল কুমারকে স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বিজেপির সংসদ সদস্য নিশিকান্ত দুবে দাবি করেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় উদাসীনতা ও গাফিলতির কারণেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই প্রশাসনিক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
নবনিযুক্ত উচ্চশিক্ষা সচিব নরেশ পাল গ্যাংওয়ার এর আগে মৎস্য, পশুপালন ও দুগ্ধ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি রাজস্থানের শিক্ষা সচিবসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্বেও ছিলেন।
অন্যদিকে, দায়িত্ব থেকে সরানো ভিনীত জোশী এর আগে জাতীয় পরীক্ষা সংস্থা (এনটিএ)-এর প্রথম মহাপরিচালক এবং সিবিএসইর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এদিকে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ও বিরোধী দলগুলোর ধারাবাহিক আন্দোলনের পর কেন্দ্রীয় সরকার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন, শুক্রবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শেষে আগামী সপ্তাহে সংসদে এ-সংক্রান্ত একটি নতুন বিল পাসের চেষ্টা করবে সরকার।
সূত্র: এনডিটিভি

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ভিনীত জোশীকে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে। একইসঙ্গে টি. কে. অনিল কুমারকে স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বিজেপির সংসদ সদস্য নিশিকান্ত দুবে দাবি করেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় উদাসীনতা ও গাফিলতির কারণেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই প্রশাসনিক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
নবনিযুক্ত উচ্চশিক্ষা সচিব নরেশ পাল গ্যাংওয়ার এর আগে মৎস্য, পশুপালন ও দুগ্ধ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি রাজস্থানের শিক্ষা সচিবসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্বেও ছিলেন।
অন্যদিকে, দায়িত্ব থেকে সরানো ভিনীত জোশী এর আগে জাতীয় পরীক্ষা সংস্থা (এনটিএ)-এর প্রথম মহাপরিচালক এবং সিবিএসইর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এদিকে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ও বিরোধী দলগুলোর ধারাবাহিক আন্দোলনের পর কেন্দ্রীয় সরকার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন, শুক্রবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শেষে আগামী সপ্তাহে সংসদে এ-সংক্রান্ত একটি নতুন বিল পাসের চেষ্টা করবে সরকার।
সূত্র: এনডিটিভি

আপনার মতামত লিখুন