ফোক্সওয়াগনের পুনর্গঠন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সংকট মোকাবিলায় কারখানাটি তেল আবিবভিত্তিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান অরেলিয়াস ক্যাপিটাল এবং জার্মানির লোয়ার স্যাক্সনি রাজ্যের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমস’-এর একটি আকাশ প্রতিরক্ষা প্রকল্পে কারখানাটি ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।
ফোক্সওয়াগনের প্রধান নির্বাহী অলিভার ব্লুম বলেন, এ চুক্তির ফলে কারখানাটির সামনে নতুন একটি শিল্প সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ওয়ার্কস কাউন্সিল জানিয়েছে, কারখানাটিতে কর্মরত মোট ১ হাজার ৮০০ জনের মধ্যে অন্তত ১ হাজার ২০০ জনের চাকরি এই চুক্তির মাধ্যমে নিশ্চিত হবে।
রাফায়েলের প্রধান নির্বাহী ইয়াভ তুরগেমান বলেন, প্রযুক্তিটির সম্পূর্ণ উৎপাদন জার্মানিতে করার লক্ষ্যেই তারা দীর্ঘমেয়াদি এই শিল্প সম্পর্ক গড়ে তুলছেন।
ঐতিহ্যবাহী এই কারখানায় বর্তমানে টি-রক ক্যাব্রিওলেটের পাশাপাশি পোরশে মডেলের গাড়িও উৎপাদন করা হয়। তবে ২০২৭ সালের মধ্যে কারখানাটিতে সব ধরনের গাড়ি উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া হয়েছিল।
ফোক্সওয়াগন বর্তমানে কমে যাওয়া চাহিদা, চীনা গাড়ি নির্মাতাদের প্রতিযোগিতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের চাপের মুখে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানটি তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে মোট ১ লাখ চাকরি কমানো হতে পারে।
ফোক্সওয়াগনের ১০ শতাংশ শেয়ারের মালিক কাতার সরাসরি ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করায় লোয়ার স্যাক্সনি ও অরেলিয়াস ক্যাপিটালের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে মালিকানা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে।
এর আগে মার্সিডিজ-বেঞ্জ ড্রোন প্রতিরক্ষার কাজে গাড়ি ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়ার পর ফোক্সওয়াগনের এই সিদ্ধান্তকে অটোমোবাইল ও প্রতিরক্ষা খাতের মধ্যে সহযোগিতার নতুন একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: দ্য নিউ আরব

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফোক্সওয়াগনের পুনর্গঠন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সংকট মোকাবিলায় কারখানাটি তেল আবিবভিত্তিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান অরেলিয়াস ক্যাপিটাল এবং জার্মানির লোয়ার স্যাক্সনি রাজ্যের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমস’-এর একটি আকাশ প্রতিরক্ষা প্রকল্পে কারখানাটি ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।
ফোক্সওয়াগনের প্রধান নির্বাহী অলিভার ব্লুম বলেন, এ চুক্তির ফলে কারখানাটির সামনে নতুন একটি শিল্প সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ওয়ার্কস কাউন্সিল জানিয়েছে, কারখানাটিতে কর্মরত মোট ১ হাজার ৮০০ জনের মধ্যে অন্তত ১ হাজার ২০০ জনের চাকরি এই চুক্তির মাধ্যমে নিশ্চিত হবে।
রাফায়েলের প্রধান নির্বাহী ইয়াভ তুরগেমান বলেন, প্রযুক্তিটির সম্পূর্ণ উৎপাদন জার্মানিতে করার লক্ষ্যেই তারা দীর্ঘমেয়াদি এই শিল্প সম্পর্ক গড়ে তুলছেন।
ঐতিহ্যবাহী এই কারখানায় বর্তমানে টি-রক ক্যাব্রিওলেটের পাশাপাশি পোরশে মডেলের গাড়িও উৎপাদন করা হয়। তবে ২০২৭ সালের মধ্যে কারখানাটিতে সব ধরনের গাড়ি উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া হয়েছিল।
ফোক্সওয়াগন বর্তমানে কমে যাওয়া চাহিদা, চীনা গাড়ি নির্মাতাদের প্রতিযোগিতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের চাপের মুখে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানটি তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে মোট ১ লাখ চাকরি কমানো হতে পারে।
ফোক্সওয়াগনের ১০ শতাংশ শেয়ারের মালিক কাতার সরাসরি ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করায় লোয়ার স্যাক্সনি ও অরেলিয়াস ক্যাপিটালের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে মালিকানা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে।
এর আগে মার্সিডিজ-বেঞ্জ ড্রোন প্রতিরক্ষার কাজে গাড়ি ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়ার পর ফোক্সওয়াগনের এই সিদ্ধান্তকে অটোমোবাইল ও প্রতিরক্ষা খাতের মধ্যে সহযোগিতার নতুন একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: দ্য নিউ আরব

আপনার মতামত লিখুন