এক বিবৃতিতে সোনিয়া গান্ধী বলেন, মোদি সরকার আলোচনার পরিবর্তে বারবার বলপ্রয়োগের পথ বেছে নিয়েছে। তার দাবি, কৃষক আন্দোলনসহ বিভিন্ন আন্দোলনের ক্ষেত্রেও একই ধরনের আচরণ দেখা গেছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার এখন আরও এক ধাপ এগিয়ে ভবিষ্যতের চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা, উদ্যোক্তা ও দেশ গঠনের কারিগরদের প্রতি সহমর্মিতা দেখানোর পরিবর্তে তাদের ওপর দমন-পীড়ন চালাচ্ছে। তার ভাষায়, এ ধরনের আচরণ ক্ষমার অযোগ্য এবং মানুষ তা ভুলবে না।
সোনিয়া গান্ধীর মতে, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার সংকট এবং সরকারের জবাবদিহি এড়িয়ে যাওয়ার মনোভাবের কারণেই শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নেমেছে। তিনি বলেন, অনিশ্চিত ও হতাশাজনক শিক্ষা ব্যবস্থার মুখোমুখি হওয়ায় শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ স্বাভাবিক। তাদের উদ্বেগ ও দাবি শোনার পরিবর্তে সরকার দমনমূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
এদিকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ভিডিও বার্তা দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে শুক্রবার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
চলমান আন্দোলন নিয়ে ওই দিন এটি ছিল মোদির দ্বিতীয় বক্তব্য। এর আগে তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের জন্য ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন এবং কঠোর শাস্তির বিধান চালুর ঘোষণা দেন।
ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস কোনো সাধারণ অপরাধ নয়; এটি লাখো শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। তিনি জানান, গত আড়াই মাসে এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মোদি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের একটি শিক্ষাবর্ষ যাতে নষ্ট না হয়, সে বিষয়টিকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। এ লক্ষ্যেই অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা আয়োজন এবং ফল প্রকাশ করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক
ছবি: দৈনিক ইত্তেফাক

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
এক বিবৃতিতে সোনিয়া গান্ধী বলেন, মোদি সরকার আলোচনার পরিবর্তে বারবার বলপ্রয়োগের পথ বেছে নিয়েছে। তার দাবি, কৃষক আন্দোলনসহ বিভিন্ন আন্দোলনের ক্ষেত্রেও একই ধরনের আচরণ দেখা গেছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার এখন আরও এক ধাপ এগিয়ে ভবিষ্যতের চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা, উদ্যোক্তা ও দেশ গঠনের কারিগরদের প্রতি সহমর্মিতা দেখানোর পরিবর্তে তাদের ওপর দমন-পীড়ন চালাচ্ছে। তার ভাষায়, এ ধরনের আচরণ ক্ষমার অযোগ্য এবং মানুষ তা ভুলবে না।
সোনিয়া গান্ধীর মতে, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার সংকট এবং সরকারের জবাবদিহি এড়িয়ে যাওয়ার মনোভাবের কারণেই শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নেমেছে। তিনি বলেন, অনিশ্চিত ও হতাশাজনক শিক্ষা ব্যবস্থার মুখোমুখি হওয়ায় শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ স্বাভাবিক। তাদের উদ্বেগ ও দাবি শোনার পরিবর্তে সরকার দমনমূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
এদিকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ভিডিও বার্তা দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে শুক্রবার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
চলমান আন্দোলন নিয়ে ওই দিন এটি ছিল মোদির দ্বিতীয় বক্তব্য। এর আগে তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের জন্য ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন এবং কঠোর শাস্তির বিধান চালুর ঘোষণা দেন।
ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস কোনো সাধারণ অপরাধ নয়; এটি লাখো শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। তিনি জানান, গত আড়াই মাসে এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মোদি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের একটি শিক্ষাবর্ষ যাতে নষ্ট না হয়, সে বিষয়টিকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। এ লক্ষ্যেই অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা আয়োজন এবং ফল প্রকাশ করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক
ছবি: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন