বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে চন্দ্রাভিযানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয় সুপারকো। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের প্রথম চন্দ্রযানের নাম নির্ধারণে দেশব্যাপী উন্মুক্ত প্রস্তাব চাওয়া হয়েছিল। প্রায় চার হাজার প্রস্তাব থেকে যাচাই-বাছাই করে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি সম্মান জানিয়ে ‘জিন্নাহ-১’ নামটি বেছে নেওয়া হয়।
সুপারকোর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের চ্যাং’ই-৮ চন্দ্রাভিযান প্রকল্পে যুক্ত হয়। সংস্থাটি এই অংশীদারত্বকে পাকিস্তানের মহাকাশ কর্মসূচির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছে। এর আওতায় সুপারকোর নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি রোভার চাঁদের পৃষ্ঠে সরাসরি গবেষণার সুযোগ পাবে।
চাঁদের দক্ষিণ মেরু ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত দুর্গম ও চ্যালেঞ্জিং এলাকা হলেও বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এর গুরুত্ব অনেক। প্রাথমিক বিভিন্ন গবেষণায় সেখানে মূল্যবান খনিজ সম্পদ এবং বরফ আকারে পানির উপস্থিতির সম্ভাবনা পাওয়া গেছে।
এই সম্পদগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধানের লক্ষ্যেই ২০২৯ সালে চ্যাং’ই-৮ অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা করেছে চীন। এই অভিযানে পাকিস্তানও অংশ নিচ্ছে।
এর আগে ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট ভারতের মহাকাশযান ‘চন্দ্রযান-৩’ প্রথমবারের মতো চাঁদের দুর্গম দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে সফলভাবে অবতরণ করেছিল।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে চন্দ্রাভিযানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয় সুপারকো। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের প্রথম চন্দ্রযানের নাম নির্ধারণে দেশব্যাপী উন্মুক্ত প্রস্তাব চাওয়া হয়েছিল। প্রায় চার হাজার প্রস্তাব থেকে যাচাই-বাছাই করে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি সম্মান জানিয়ে ‘জিন্নাহ-১’ নামটি বেছে নেওয়া হয়।
সুপারকোর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের চ্যাং’ই-৮ চন্দ্রাভিযান প্রকল্পে যুক্ত হয়। সংস্থাটি এই অংশীদারত্বকে পাকিস্তানের মহাকাশ কর্মসূচির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছে। এর আওতায় সুপারকোর নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি রোভার চাঁদের পৃষ্ঠে সরাসরি গবেষণার সুযোগ পাবে।
চাঁদের দক্ষিণ মেরু ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত দুর্গম ও চ্যালেঞ্জিং এলাকা হলেও বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এর গুরুত্ব অনেক। প্রাথমিক বিভিন্ন গবেষণায় সেখানে মূল্যবান খনিজ সম্পদ এবং বরফ আকারে পানির উপস্থিতির সম্ভাবনা পাওয়া গেছে।
এই সম্পদগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধানের লক্ষ্যেই ২০২৯ সালে চ্যাং’ই-৮ অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা করেছে চীন। এই অভিযানে পাকিস্তানও অংশ নিচ্ছে।
এর আগে ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট ভারতের মহাকাশযান ‘চন্দ্রযান-৩’ প্রথমবারের মতো চাঁদের দুর্গম দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে সফলভাবে অবতরণ করেছিল।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন