যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী পাকিস্তানি সাংবাদিক ওয়াজাহাত সাঈদ খানের দুটি ভিডিও প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে ইমরান খানের মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। ‘ইজ খান স্টিল উইথ আস’ ও ‘হোয়াট হ্যাপেন্স আফটার খান’ শিরোনামের ভিডিও দুটিতে ওয়াজাহাত দাবি করেন, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর (জিএইচকিউ)-এর তিন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার সঙ্গে তার কথা হয়েছে।
ওই কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, ইমরান খান জীবিত আছেন কি না, তা নিয়ে সেনাবাহিনীর ভেতরেও উদ্বেগ রয়েছে।
খবরটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পিটিআইয়ের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আতঙ্ক এবং ক্ষোভ দেখা দেয়। পরে সাংবাদিক ওয়াজাহাত নিজেই জানান, ইমরান খানের মৃত্যুর বিষয়ে তার কাছে কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ নেই। তার সূত্রগুলো মূলত ইমরানের বর্তমান অবস্থা নিয়ে অতিরিক্ত গোপনীয়তার কারণে তৈরি হওয়া উদ্বেগের কথা জানিয়েছিল।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে আইএসপিআর এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ইমরান খানের মৃত্যুর খবরকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ বলে উল্লেখ করে।
ইমরানের স্ত্রী বুশরা বিবির পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোর পক্ষ থেকেও তার জীবিত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তাদের দাবি, কারা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত এক সাক্ষাৎ পর্বে তাদের সিসিটিভি ফুটেজ দেখানো হয়। সেখানে ইমরান খানকে নিজের পায়ে হাঁটতে দেখা গেছে।
মৃত্যুর গুঞ্জন থামলেও ইমরান খানের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে পিটিআই নেতাদের উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে। দলটির নেতারা ইমরানের ব্যক্তিগত চিকিৎসক, বোন ও আইনজীবীদের তার সঙ্গে অবাধে সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
পিটিআই সতর্ক করে বলেছে, ইমরান খানের নিরাপত্তা ও চিকিৎসার বিষয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা না হলে দেশব্যাপী বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের রাওয়ালপিন্ডিমুখী মিছিলের প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছেন নেতারা।
এর মধ্যে পিটিআইয়ের আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তারা ইমরান খানের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসুবিধা নিশ্চিত করা এবং কারাগারে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগসংক্রান্ত আবেদনের দ্রুত শুনানির দাবি জানিয়েছেন।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী পাকিস্তানি সাংবাদিক ওয়াজাহাত সাঈদ খানের দুটি ভিডিও প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে ইমরান খানের মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। ‘ইজ খান স্টিল উইথ আস’ ও ‘হোয়াট হ্যাপেন্স আফটার খান’ শিরোনামের ভিডিও দুটিতে ওয়াজাহাত দাবি করেন, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর (জিএইচকিউ)-এর তিন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার সঙ্গে তার কথা হয়েছে।
ওই কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, ইমরান খান জীবিত আছেন কি না, তা নিয়ে সেনাবাহিনীর ভেতরেও উদ্বেগ রয়েছে।
খবরটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পিটিআইয়ের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আতঙ্ক এবং ক্ষোভ দেখা দেয়। পরে সাংবাদিক ওয়াজাহাত নিজেই জানান, ইমরান খানের মৃত্যুর বিষয়ে তার কাছে কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ নেই। তার সূত্রগুলো মূলত ইমরানের বর্তমান অবস্থা নিয়ে অতিরিক্ত গোপনীয়তার কারণে তৈরি হওয়া উদ্বেগের কথা জানিয়েছিল।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে আইএসপিআর এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ইমরান খানের মৃত্যুর খবরকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ বলে উল্লেখ করে।
ইমরানের স্ত্রী বুশরা বিবির পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোর পক্ষ থেকেও তার জীবিত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তাদের দাবি, কারা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত এক সাক্ষাৎ পর্বে তাদের সিসিটিভি ফুটেজ দেখানো হয়। সেখানে ইমরান খানকে নিজের পায়ে হাঁটতে দেখা গেছে।
মৃত্যুর গুঞ্জন থামলেও ইমরান খানের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে পিটিআই নেতাদের উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে। দলটির নেতারা ইমরানের ব্যক্তিগত চিকিৎসক, বোন ও আইনজীবীদের তার সঙ্গে অবাধে সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
পিটিআই সতর্ক করে বলেছে, ইমরান খানের নিরাপত্তা ও চিকিৎসার বিষয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা না হলে দেশব্যাপী বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের রাওয়ালপিন্ডিমুখী মিছিলের প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছেন নেতারা।
এর মধ্যে পিটিআইয়ের আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তারা ইমরান খানের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসুবিধা নিশ্চিত করা এবং কারাগারে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগসংক্রান্ত আবেদনের দ্রুত শুনানির দাবি জানিয়েছেন।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন