শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার রিপোর্টার্স ইউনিটির শরিফুল কবির মিলনায়তনে বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন নুরুল হক নুর।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর পৃষ্ঠপোষকতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে অসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিণত করা হয়েছে। জামায়াতের সাইবার আক্রমণের কারণে সরকারি দলের অনেক নেতা কথা বলছেন না, আবার অনেকে কথা বলার সাহসও করছেন না। এ ধরনের সাইবার সন্ত্রাস বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
নুরুল হক নুর বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক মতের ভিন্নতা থাকতেই পারে। তবে কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা ভুয়া পরিচয়ে আইডি খুলে অশালীন ভাষা ব্যবহার এবং পরিকল্পিতভাবে অন্যদের আক্রমণ করলে তা কোনোভাবেই ইসলামী আদর্শের রাজনীতি হতে পারে না। জামায়াতে ইসলামী যদি ইসলামের আদর্শ অনুসরণ করে রাজনীতি করে, তাহলে তাদের নেতাকর্মীদের আচরণেও ইসলামের শিক্ষা ও মহানবী (সা.)-এর আদর্শের প্রতিফলন থাকা প্রয়োজন। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর বিপরীত চিত্রই দেখা যাচ্ছে।
প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জামায়াত-শিবিরের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। সরকারের উচিত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে সাইবার অপপ্রচার ও দুর্বৃত্তায়ন বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারে গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভূমিকা রয়েছে। সরকারের উচিত মিত্রদের যথাযথ মূল্যায়ন করা। মিত্রদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হলে তা রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে।
নুরুল হক নুর বলেন, আমরা যখন রাজপথে আন্দোলন করেছি, তখন অনেকেই আমাদের সঙ্গে ছিলেন। বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকটের সময়ে যারা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের মূল্যায়ন করা সরকারের দায়িত্ব।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে এবং গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের নিয়ে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এসব অপপ্রচারে আমরা বিচলিত হবো না। দায়িত্ব নেওয়ার পর আমাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না। আমরা সাধারণ পরিবারের সন্তান। মানুষের কাছ থেকে ফান্ড নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ কেউ প্রমাণ করতে পারলে তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াবেন বলেও জানান।
তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনকে ঘিরে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতিকে কেন্দ্র করে দেশে আবারও রাজনৈতিক সংকট তৈরি হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে গণঅধিকার পরিষদ জনগণের পাশে থেকে ভূমিকা পালন করবে। আমরা কথা বলার মানুষ। কোনো অঘটন দেখলে পাশ কাটিয়ে চলে যেতে পারি না। দেশের স্বার্থে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই আমরা কথা বলব।
আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁনসহ বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদ ও অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার রিপোর্টার্স ইউনিটির শরিফুল কবির মিলনায়তনে বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন নুরুল হক নুর।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর পৃষ্ঠপোষকতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে অসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিণত করা হয়েছে। জামায়াতের সাইবার আক্রমণের কারণে সরকারি দলের অনেক নেতা কথা বলছেন না, আবার অনেকে কথা বলার সাহসও করছেন না। এ ধরনের সাইবার সন্ত্রাস বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
নুরুল হক নুর বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক মতের ভিন্নতা থাকতেই পারে। তবে কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা ভুয়া পরিচয়ে আইডি খুলে অশালীন ভাষা ব্যবহার এবং পরিকল্পিতভাবে অন্যদের আক্রমণ করলে তা কোনোভাবেই ইসলামী আদর্শের রাজনীতি হতে পারে না। জামায়াতে ইসলামী যদি ইসলামের আদর্শ অনুসরণ করে রাজনীতি করে, তাহলে তাদের নেতাকর্মীদের আচরণেও ইসলামের শিক্ষা ও মহানবী (সা.)-এর আদর্শের প্রতিফলন থাকা প্রয়োজন। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর বিপরীত চিত্রই দেখা যাচ্ছে।
প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জামায়াত-শিবিরের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। সরকারের উচিত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে সাইবার অপপ্রচার ও দুর্বৃত্তায়ন বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারে গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভূমিকা রয়েছে। সরকারের উচিত মিত্রদের যথাযথ মূল্যায়ন করা। মিত্রদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হলে তা রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে।
নুরুল হক নুর বলেন, আমরা যখন রাজপথে আন্দোলন করেছি, তখন অনেকেই আমাদের সঙ্গে ছিলেন। বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকটের সময়ে যারা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের মূল্যায়ন করা সরকারের দায়িত্ব।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে এবং গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের নিয়ে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এসব অপপ্রচারে আমরা বিচলিত হবো না। দায়িত্ব নেওয়ার পর আমাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না। আমরা সাধারণ পরিবারের সন্তান। মানুষের কাছ থেকে ফান্ড নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ কেউ প্রমাণ করতে পারলে তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াবেন বলেও জানান।
তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনকে ঘিরে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতিকে কেন্দ্র করে দেশে আবারও রাজনৈতিক সংকট তৈরি হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে গণঅধিকার পরিষদ জনগণের পাশে থেকে ভূমিকা পালন করবে। আমরা কথা বলার মানুষ। কোনো অঘটন দেখলে পাশ কাটিয়ে চলে যেতে পারি না। দেশের স্বার্থে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই আমরা কথা বলব।
আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁনসহ বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদ ও অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব

আপনার মতামত লিখুন