রোববার ইয়েমেনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সাবার এক প্রতিবেদনে এ নিষেধাজ্ঞার তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বার্তাসংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞাটি ঠিক কবে থেকে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো তারিখ জানানো হয়নি।
ইয়েমেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ও কমিটির প্রধান আহমেদ গালেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আমদানি নিয়ন্ত্রণ ও অর্থায়নবিষয়ক জাতীয় কমিটি এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে।
কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘জাতীয় স্বার্থের সর্বোচ্চ প্রয়োজনীয়তা’ বিবেচনায় নিয়েই নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিজ নিজ এখতিয়ার অনুযায়ী প্রচলিত আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করে এসব পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
তবে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের নির্দিষ্ট সময় জানানো হয়নি। একইভাবে কোন কোন ইরানি পণ্য এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে, সে বিষয়েও বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। শুধু ইরানের সব ধরনের পণ্য ও সামগ্রী আমদানি এবং ইয়েমেনের বাজারে বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছে।
ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার এবং ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে এ সিদ্ধান্ত এলো। ইয়েমেন সরকার দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, ইরান হুতিদের সামরিক ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে। তবে তেহরান বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
২০১৪ সালে রাজধানী সানা ও ইয়েমেনের বিস্তীর্ণ অঞ্চল হুতিরা দখলে নেয়। গোষ্ঠীটিকে ইরান সমর্থন করে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট সমর্থন দিয়ে আসছে।
জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ২০২২ সালের এপ্রিলে ইয়েমেনে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ সময় দেশটিতে তুলনামূলক শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় ছিল। তবে সৌদি জোটের হামলার পর গত জুলাই থেকে সেখানে আবারও সংঘাত বেড়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে ইরানের সব ধরনের পণ্য আমদানি ও বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত ইয়েমেন সরকারের সঙ্গে তেহরান ও হুতিদের চলমান বিরোধকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে।
সূত্র: আনাদুলু এজেন্সি

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রোববার ইয়েমেনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সাবার এক প্রতিবেদনে এ নিষেধাজ্ঞার তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বার্তাসংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞাটি ঠিক কবে থেকে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো তারিখ জানানো হয়নি।
ইয়েমেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ও কমিটির প্রধান আহমেদ গালেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আমদানি নিয়ন্ত্রণ ও অর্থায়নবিষয়ক জাতীয় কমিটি এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে।
কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘জাতীয় স্বার্থের সর্বোচ্চ প্রয়োজনীয়তা’ বিবেচনায় নিয়েই নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিজ নিজ এখতিয়ার অনুযায়ী প্রচলিত আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করে এসব পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
তবে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের নির্দিষ্ট সময় জানানো হয়নি। একইভাবে কোন কোন ইরানি পণ্য এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে, সে বিষয়েও বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। শুধু ইরানের সব ধরনের পণ্য ও সামগ্রী আমদানি এবং ইয়েমেনের বাজারে বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছে।
ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার এবং ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে এ সিদ্ধান্ত এলো। ইয়েমেন সরকার দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, ইরান হুতিদের সামরিক ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে। তবে তেহরান বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
২০১৪ সালে রাজধানী সানা ও ইয়েমেনের বিস্তীর্ণ অঞ্চল হুতিরা দখলে নেয়। গোষ্ঠীটিকে ইরান সমর্থন করে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট সমর্থন দিয়ে আসছে।
জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ২০২২ সালের এপ্রিলে ইয়েমেনে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ সময় দেশটিতে তুলনামূলক শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় ছিল। তবে সৌদি জোটের হামলার পর গত জুলাই থেকে সেখানে আবারও সংঘাত বেড়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে ইরানের সব ধরনের পণ্য আমদানি ও বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত ইয়েমেন সরকারের সঙ্গে তেহরান ও হুতিদের চলমান বিরোধকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে।
সূত্র: আনাদুলু এজেন্সি

আপনার মতামত লিখুন