স্থানীয়দের সামনে লাউড স্পিকারে ডিএফওকে মন্ত্রী বলেন, তাঁর নির্বাচনী এলাকা সখীপুরের হলুদিয়াচালায় একটি টিনের দোকান ছিল। সেখানে রেঞ্জ কর্মকর্তা এমরান দালালদের মাধ্যমে স্থানীয়দের কাছ থেকে টাকা নিয়ে একটি ঘর নির্মাণের অনুমতি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে ঘরটি আগের তুলনায় কিছুটা বড় করা হলে এমরান টাকা বেশি পাননি অথবা নিজের দায় এড়াতে গরিব মানুষের সেই ঘর ভেঙে দিয়েছেন বলে দাবি করেন মন্ত্রী।
এ কারণে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এমরান আলীকে সেখান থেকে বদলি করার জন্য ডিএফওকে নির্দেশ দেন আহমেদ আযম খান। তিনি বলেন, ‘২৪ ঘণ্টার মধ্যে করবেন, এটা আপনার কাছে আমার অনুরোধ রইল।’
এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, তিনি যতদিন সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্বে আছেন, ততদিন তাঁর নির্বাচনী এলাকার মানুষকে বন বিভাগের কোনো দুর্নীতির কারণে হয়রানির শিকার হতে দেবেন না। তাঁর অভিযোগ, টাকা দিলে ঘর নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়, এমনকি বিল্ডিং নির্মাণের সুযোগও দেওয়া হয়। কিন্তু টাকা না দিলে সঙ্গে সঙ্গে মামলা দেওয়া হয়।
তবে রেঞ্জ কর্মকর্তা এমরান আলী তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেছেন। ঘর ভাঙার অভিযানে টাঙ্গাইলের সহকারী বন সংরক্ষক রানা দেব নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং তিনি শুধু সহযোগিতা করেছেন।
এমরান আলী বলেন, ‘এখানে আমার ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ নেই। আমি যেখানেই যাব, বন রক্ষায় কাজ করব।’
এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের ডিএফও মো. নাজমুল আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
গত ৯ আগস্ট ভোরে বন বিভাগ হলুদিয়াচালা বাজারে স্থানীয় বাসিন্দাদের নির্মাণ করা প্রায় ৬০ হাত দীর্ঘ একটি ঘর ভেঙে দেয়। স্থানীয়দের দাবি, রেজিস্ট্রি সনদের মাধ্যমে তারা ওই জমির মালিক। তবে বন বিভাগের বক্তব্য, জায়গাটি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
‘আটিয়া বন-৮২ অধ্যাদেশ’কে কেন্দ্র করে সখীপুরের বিভিন্ন এলাকায় জমির মালিকানা নিয়ে বন বিভাগ ও স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই বিরোধের ধারাবাহিকতায় হলুদিয়াচালা বাজারের ঘরটি ভাঙা হয়েছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
স্থানীয়দের সামনে লাউড স্পিকারে ডিএফওকে মন্ত্রী বলেন, তাঁর নির্বাচনী এলাকা সখীপুরের হলুদিয়াচালায় একটি টিনের দোকান ছিল। সেখানে রেঞ্জ কর্মকর্তা এমরান দালালদের মাধ্যমে স্থানীয়দের কাছ থেকে টাকা নিয়ে একটি ঘর নির্মাণের অনুমতি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে ঘরটি আগের তুলনায় কিছুটা বড় করা হলে এমরান টাকা বেশি পাননি অথবা নিজের দায় এড়াতে গরিব মানুষের সেই ঘর ভেঙে দিয়েছেন বলে দাবি করেন মন্ত্রী।
এ কারণে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এমরান আলীকে সেখান থেকে বদলি করার জন্য ডিএফওকে নির্দেশ দেন আহমেদ আযম খান। তিনি বলেন, ‘২৪ ঘণ্টার মধ্যে করবেন, এটা আপনার কাছে আমার অনুরোধ রইল।’
এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, তিনি যতদিন সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্বে আছেন, ততদিন তাঁর নির্বাচনী এলাকার মানুষকে বন বিভাগের কোনো দুর্নীতির কারণে হয়রানির শিকার হতে দেবেন না। তাঁর অভিযোগ, টাকা দিলে ঘর নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়, এমনকি বিল্ডিং নির্মাণের সুযোগও দেওয়া হয়। কিন্তু টাকা না দিলে সঙ্গে সঙ্গে মামলা দেওয়া হয়।
তবে রেঞ্জ কর্মকর্তা এমরান আলী তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেছেন। ঘর ভাঙার অভিযানে টাঙ্গাইলের সহকারী বন সংরক্ষক রানা দেব নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং তিনি শুধু সহযোগিতা করেছেন।
এমরান আলী বলেন, ‘এখানে আমার ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ নেই। আমি যেখানেই যাব, বন রক্ষায় কাজ করব।’
এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের ডিএফও মো. নাজমুল আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
গত ৯ আগস্ট ভোরে বন বিভাগ হলুদিয়াচালা বাজারে স্থানীয় বাসিন্দাদের নির্মাণ করা প্রায় ৬০ হাত দীর্ঘ একটি ঘর ভেঙে দেয়। স্থানীয়দের দাবি, রেজিস্ট্রি সনদের মাধ্যমে তারা ওই জমির মালিক। তবে বন বিভাগের বক্তব্য, জায়গাটি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
‘আটিয়া বন-৮২ অধ্যাদেশ’কে কেন্দ্র করে সখীপুরের বিভিন্ন এলাকায় জমির মালিকানা নিয়ে বন বিভাগ ও স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই বিরোধের ধারাবাহিকতায় হলুদিয়াচালা বাজারের ঘরটি ভাঙা হয়েছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক।

আপনার মতামত লিখুন