সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র সোমবার দেশটির অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পশ্চিম তীরের ‘ই১’ এলাকায় নতুন বসতি নির্মাণের ইসরাইলি পরিকল্পনা অঞ্চলটিকে আরও বিচ্ছিন্ন করে ফেলবে। একই সঙ্গে এটি ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাতের দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাকেও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরাইলের বসতি সম্প্রসারণের উদ্যোগ অবিলম্বে বন্ধ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বৃদ্ধিতেও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটি।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর সহিংসতা ঠেকাতে ইসরাইলকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদেরও জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি।
ই১ এলাকায় প্রায় ৩ হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনি বসবাস করেন। তাদের অধিকাংশই ১৮টি গ্রামের বেদুইন সম্প্রদায়ের সদস্য। সেখানে নতুন বসতি গড়ে উঠলে এসব মানুষের ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সিঙ্গাপুরের ভাষ্য, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবের ভিত্তিতে আলোচনার মাধ্যমে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানই ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাতের ন্যায়সংগত ও দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের একমাত্র কার্যকর পথ।
ইসরাইলের বসতি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়ে এর আগেও যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও কানাডাসহ কয়েকটি দেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
গত ১৮ আগস্ট ইসরাইলি সরকার ই১ এলাকায় এক হাজার ২০০টির বেশি আবাসিক ইউনিট নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করে। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে পূর্ব জেরুজালেম ও পশ্চিম তীরের মধ্যকার যোগাযোগ আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রায় ১২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের ই১ এলাকাটি পূর্ব জেরুজালেমের কাছাকাছি অবস্থিত।
সূত্র: দ্য স্ট্রেইটস টাইমস, চ্যানেল নিউজ এশিয়া, মালায় মেইল ও দ্য অনলাইন সিটিজেন

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র সোমবার দেশটির অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পশ্চিম তীরের ‘ই১’ এলাকায় নতুন বসতি নির্মাণের ইসরাইলি পরিকল্পনা অঞ্চলটিকে আরও বিচ্ছিন্ন করে ফেলবে। একই সঙ্গে এটি ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাতের দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাকেও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরাইলের বসতি সম্প্রসারণের উদ্যোগ অবিলম্বে বন্ধ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বৃদ্ধিতেও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটি।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর সহিংসতা ঠেকাতে ইসরাইলকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদেরও জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি।
ই১ এলাকায় প্রায় ৩ হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনি বসবাস করেন। তাদের অধিকাংশই ১৮টি গ্রামের বেদুইন সম্প্রদায়ের সদস্য। সেখানে নতুন বসতি গড়ে উঠলে এসব মানুষের ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সিঙ্গাপুরের ভাষ্য, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবের ভিত্তিতে আলোচনার মাধ্যমে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানই ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাতের ন্যায়সংগত ও দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের একমাত্র কার্যকর পথ।
ইসরাইলের বসতি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়ে এর আগেও যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও কানাডাসহ কয়েকটি দেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
গত ১৮ আগস্ট ইসরাইলি সরকার ই১ এলাকায় এক হাজার ২০০টির বেশি আবাসিক ইউনিট নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করে। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে পূর্ব জেরুজালেম ও পশ্চিম তীরের মধ্যকার যোগাযোগ আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রায় ১২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের ই১ এলাকাটি পূর্ব জেরুজালেমের কাছাকাছি অবস্থিত।
সূত্র: দ্য স্ট্রেইটস টাইমস, চ্যানেল নিউজ এশিয়া, মালায় মেইল ও দ্য অনলাইন সিটিজেন

আপনার মতামত লিখুন