দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে দেশ দুটির বার্ষিক দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য প্রায় ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। সোমবার তুরস্কের বাণিজ্যমন্ত্রী এ লক্ষ্যের কথা জানান।
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপকে ঘিরে ব্যাপক নির্মাণকাজের কারণে একপর্যায়ে দুই দেশের বাণিজ্য ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল। এখন বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির (টিইপিএ) মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরও বাড়ানোর প্রত্যাশা করছে দুই দেশ। গত বছর চুক্তিটি কার্যকর হয়েছে।
কাতারে তুরস্কের নির্মাণ কোম্পানিগুলোর উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে। ওমর বোলাত জানান, কাতারে তুর্কি ঠিকাদাররা ২০৬টি প্রকল্পে প্রায় ২১ বিলিয়ন ডলারের কাজ সম্পন্ন করেছে। অন্যদিকে কাতারের প্রায় ২৫০টি কোম্পানি তুরস্কে মোট ৭ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। এসব বিনিয়োগ অর্থ, ব্যাংকিং, জ্বালানি, লজিস্টিকস, গণমাধ্যম ও কৃষিসহ বিভিন্ন খাতে রয়েছে।
এ ছাড়া কাতারে প্রায় ১ হাজার ১১৬টি তুর্কি কোম্পানি নির্মাণ, সেবা ও উৎপাদন খাতে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্য পরিবহনে বাধা তৈরি হওয়ায় বিকল্প বাণিজ্যপথের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন ওমর বোলাত। তার মতে, সমুদ্রপথ ও হরমুজ প্রণালির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতে বিকল্প রুট তৈরি করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
কাতারসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর ভোক্তা পণ্যের চাহিদা পূরণে তুরস্ক বর্তমানে কাজ করছে। সৌদি আরবের সঙ্গে কার্যকর হওয়া একটি ট্রানজিট পরিবহন চুক্তির আওতায় তুরস্কের পণ্যবাহী যান সিরিয়া, জর্ডান ও সৌদি আরব হয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোতে যাচ্ছে। এ ছাড়া ইরাক ও সৌদি আরব হয়েও পণ্য পরিবহন করা হচ্ছে।
বোলাত বলেন, ভবিষ্যতে এসব বিকল্প ট্রানজিট ও বাণিজ্য করিডোরকে আরও শক্তিশালী ও স্থিতিশীল করতে তুরস্ক ও কাতার যৌথভাবে কাজ করবে।
এদিকে কাতার ইনভেস্টমেন্ট অথরিটি তুরস্কে তাদের বিনিয়োগ আরও বাড়াতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন কাতারের প্রতিনিধি। এ লক্ষ্যে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান বোলাত।
তুরস্ক ও কাতারের মধ্যে ৫ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য লক্ষ্যমাত্রা অবশ্য নতুন কোনো বিষয় নয়। ২০২৫ সালের অক্টোবরে তুরস্ক-কাতারের সুপ্রিম স্ট্র্যাটেজিক কমিটির বৈঠকেও নিকট ভবিষ্যতে এই লক্ষ্যে পৌঁছানোর বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছিল।
সূত্র: ডেইলি সাবাহ

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে দেশ দুটির বার্ষিক দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য প্রায় ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। সোমবার তুরস্কের বাণিজ্যমন্ত্রী এ লক্ষ্যের কথা জানান।
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপকে ঘিরে ব্যাপক নির্মাণকাজের কারণে একপর্যায়ে দুই দেশের বাণিজ্য ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল। এখন বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির (টিইপিএ) মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরও বাড়ানোর প্রত্যাশা করছে দুই দেশ। গত বছর চুক্তিটি কার্যকর হয়েছে।
কাতারে তুরস্কের নির্মাণ কোম্পানিগুলোর উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে। ওমর বোলাত জানান, কাতারে তুর্কি ঠিকাদাররা ২০৬টি প্রকল্পে প্রায় ২১ বিলিয়ন ডলারের কাজ সম্পন্ন করেছে। অন্যদিকে কাতারের প্রায় ২৫০টি কোম্পানি তুরস্কে মোট ৭ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। এসব বিনিয়োগ অর্থ, ব্যাংকিং, জ্বালানি, লজিস্টিকস, গণমাধ্যম ও কৃষিসহ বিভিন্ন খাতে রয়েছে।
এ ছাড়া কাতারে প্রায় ১ হাজার ১১৬টি তুর্কি কোম্পানি নির্মাণ, সেবা ও উৎপাদন খাতে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্য পরিবহনে বাধা তৈরি হওয়ায় বিকল্প বাণিজ্যপথের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন ওমর বোলাত। তার মতে, সমুদ্রপথ ও হরমুজ প্রণালির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতে বিকল্প রুট তৈরি করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
কাতারসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর ভোক্তা পণ্যের চাহিদা পূরণে তুরস্ক বর্তমানে কাজ করছে। সৌদি আরবের সঙ্গে কার্যকর হওয়া একটি ট্রানজিট পরিবহন চুক্তির আওতায় তুরস্কের পণ্যবাহী যান সিরিয়া, জর্ডান ও সৌদি আরব হয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোতে যাচ্ছে। এ ছাড়া ইরাক ও সৌদি আরব হয়েও পণ্য পরিবহন করা হচ্ছে।
বোলাত বলেন, ভবিষ্যতে এসব বিকল্প ট্রানজিট ও বাণিজ্য করিডোরকে আরও শক্তিশালী ও স্থিতিশীল করতে তুরস্ক ও কাতার যৌথভাবে কাজ করবে।
এদিকে কাতার ইনভেস্টমেন্ট অথরিটি তুরস্কে তাদের বিনিয়োগ আরও বাড়াতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন কাতারের প্রতিনিধি। এ লক্ষ্যে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান বোলাত।
তুরস্ক ও কাতারের মধ্যে ৫ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য লক্ষ্যমাত্রা অবশ্য নতুন কোনো বিষয় নয়। ২০২৫ সালের অক্টোবরে তুরস্ক-কাতারের সুপ্রিম স্ট্র্যাটেজিক কমিটির বৈঠকেও নিকট ভবিষ্যতে এই লক্ষ্যে পৌঁছানোর বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছিল।
সূত্র: ডেইলি সাবাহ

আপনার মতামত লিখুন