হুথিদের হামলার শিকার বন্দরনগর আল-মাখার বাসিন্দা নাজেম হামুদ আল-ওয়াহবানি বলেন, তারা সবাই আতঙ্কের মধ্যে দিন পার করছেন। বার্তা সংস্থা এএফপিকে তিনি জানান, প্রতিদিন হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন তাদের মাথার ওপর দিয়ে যাচ্ছে। দূর থেকে গোলাবর্ষণের শব্দও শোনা যায়। তবে সবচেয়ে বড় ভয়, পরবর্তী হামলা হয়তো তাদের একেবারে কাছাকাছি হতে পারে।
আল-মাখারের উত্তরের আল-খোখা এলাকায় বসবাস করেন মোহাম্মদ আলি। এর আগে হোদেইদা প্রদেশে সংঘাতের কারণে তাকে নিজের বাড়িঘর ছেড়ে আল-খোখায় আশ্রয় নিতে হয়েছিল।
নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায় এবারও পরিবার নিয়ে অন্য জায়গায় চলে যাওয়ার কথা ভাবছেন তিনি।
এএফপিকে মোহাম্মদ আলি বলেন, আল-খোখাতেও যদি লড়াই ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে সবকিছু ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে তার নিজের ভবিষ্যৎ এবং সন্তানদের ভবিষ্যৎও রয়েছে।
ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধের শুরু ২০১৪ সালে। একদিকে রয়েছে হুথিরা, অন্যদিকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সৌদি আরব-সমর্থিত সরকার।
দীর্ঘদিনের এই সংঘাতে দেশটিতে কয়েক হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। একই সঙ্গে সংঘাত ইয়েমেনকে দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে।
২০২২ সালে যুদ্ধবিরতির পর দেশটিতে তুলনামূলক শান্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। তবে গত মাসে আবারও সংঘাত শুরু হয়।
হুথিদের পক্ষ থেকে সৌদি আরবের একটি বিমানবন্দর ও তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার পর নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। হুথিদের দাবি ছিল, তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি বিমানবন্দরে সৌদি আরব হামলা চালিয়েছিল।
নতুন করে লড়াই শুরু হওয়ায় সরকার নিয়ন্ত্রিত এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আবারও সর্বাত্মক যুদ্ধ ফিরে আসার আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
সূত্র: আমার দেশ

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
হুথিদের হামলার শিকার বন্দরনগর আল-মাখার বাসিন্দা নাজেম হামুদ আল-ওয়াহবানি বলেন, তারা সবাই আতঙ্কের মধ্যে দিন পার করছেন। বার্তা সংস্থা এএফপিকে তিনি জানান, প্রতিদিন হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন তাদের মাথার ওপর দিয়ে যাচ্ছে। দূর থেকে গোলাবর্ষণের শব্দও শোনা যায়। তবে সবচেয়ে বড় ভয়, পরবর্তী হামলা হয়তো তাদের একেবারে কাছাকাছি হতে পারে।
আল-মাখারের উত্তরের আল-খোখা এলাকায় বসবাস করেন মোহাম্মদ আলি। এর আগে হোদেইদা প্রদেশে সংঘাতের কারণে তাকে নিজের বাড়িঘর ছেড়ে আল-খোখায় আশ্রয় নিতে হয়েছিল।
নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায় এবারও পরিবার নিয়ে অন্য জায়গায় চলে যাওয়ার কথা ভাবছেন তিনি।
এএফপিকে মোহাম্মদ আলি বলেন, আল-খোখাতেও যদি লড়াই ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে সবকিছু ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে তার নিজের ভবিষ্যৎ এবং সন্তানদের ভবিষ্যৎও রয়েছে।
ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধের শুরু ২০১৪ সালে। একদিকে রয়েছে হুথিরা, অন্যদিকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সৌদি আরব-সমর্থিত সরকার।
দীর্ঘদিনের এই সংঘাতে দেশটিতে কয়েক হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। একই সঙ্গে সংঘাত ইয়েমেনকে দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে।
২০২২ সালে যুদ্ধবিরতির পর দেশটিতে তুলনামূলক শান্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। তবে গত মাসে আবারও সংঘাত শুরু হয়।
হুথিদের পক্ষ থেকে সৌদি আরবের একটি বিমানবন্দর ও তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার পর নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। হুথিদের দাবি ছিল, তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি বিমানবন্দরে সৌদি আরব হামলা চালিয়েছিল।
নতুন করে লড়াই শুরু হওয়ায় সরকার নিয়ন্ত্রিত এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আবারও সর্বাত্মক যুদ্ধ ফিরে আসার আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন