আগামী কয়েক মাসের মধ্যে তানেগাশিমা স্পেস সেন্টার থেকে মনুষ্যবিহীন ‘মার্শিয়ান মুনস এক্সপ্লোরেশন’ বা এমএমএক্স উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে। এই অভিযান ভবিষ্যতে মানুষকে মঙ্গলে পাঠানোর পথও তৈরি করতে পারে।
গত বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমের সামনে মহাকাশযানটি প্রদর্শন করা হয়। এটি প্রায় তিন বছর মঙ্গলের কক্ষপথে অবস্থান করবে। এ সময় মঙ্গলের উপগ্রহ ফোবোসে অবতরণের চেষ্টা চালাবে।
মহাকাশযানটি ফোবোসের পৃষ্ঠ থেকে অন্তত ১০ গ্রাম উপাদান সংগ্রহ করবে। একই সময়ে ফরাসি কমিক চরিত্র অ্যাস্টেরিক্সের কুকুরের নাম অনুসারে ‘আইডেফিক্স’ নামের একটি রোভার উপগ্রহটির পৃষ্ঠ পর্যবেক্ষণ করবে।
এ ছাড়া মহাকাশযানটি মঙ্গলের অপর উপগ্রহ ডেইমোসও পর্যবেক্ষণ করবে। তবে সেখানে অবতরণ করা হবে না। পরবর্তী সময়ে একটি ফেরত ক্যাপসুল পৃথিবীর উদ্দেশে যাত্রা করবে এবং প্রায় ২০৩১ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অবতরণ করবে।
মিতসুবিশি ইলেকট্রিকের প্রকৌশলী আকিনারি উয়েহারা জানান, জাপানের মনুষ্যবিহীন স্মার্ট ল্যান্ডার ফর ইনভেস্টিগেটিং মুন (এসএলআইএম) বা ‘মুন স্নাইপার’ ২০২৪ সালে পৃথিবীর চাঁদে অবতরণের পর একদিকে কাত হয়ে পড়েছিল। এরপরও সেটি তথ্য পাঠাতে সক্ষম হয় এবং চাঁদের দুই সপ্তাহের কয়েকটি রাতও টিকে ছিল।
মহাকাশ থেকে নমুনা পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার অভিজ্ঞতাও জাপানের রয়েছে। ২০২০ সালে জাক্সার মনুষ্যবিহীন হায়াবুসা-২ পৃথিবী থেকে কয়েকশ কোটি কিলোমিটার দূরে থাকা একটি গ্রহাণু থেকে সংগ্রহ করা ৫.৪ গ্রাম পাথর ও ধুলার নমুনা পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনে।
সূত্র: বাসস

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
আগামী কয়েক মাসের মধ্যে তানেগাশিমা স্পেস সেন্টার থেকে মনুষ্যবিহীন ‘মার্শিয়ান মুনস এক্সপ্লোরেশন’ বা এমএমএক্স উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে। এই অভিযান ভবিষ্যতে মানুষকে মঙ্গলে পাঠানোর পথও তৈরি করতে পারে।
গত বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমের সামনে মহাকাশযানটি প্রদর্শন করা হয়। এটি প্রায় তিন বছর মঙ্গলের কক্ষপথে অবস্থান করবে। এ সময় মঙ্গলের উপগ্রহ ফোবোসে অবতরণের চেষ্টা চালাবে।
মহাকাশযানটি ফোবোসের পৃষ্ঠ থেকে অন্তত ১০ গ্রাম উপাদান সংগ্রহ করবে। একই সময়ে ফরাসি কমিক চরিত্র অ্যাস্টেরিক্সের কুকুরের নাম অনুসারে ‘আইডেফিক্স’ নামের একটি রোভার উপগ্রহটির পৃষ্ঠ পর্যবেক্ষণ করবে।
এ ছাড়া মহাকাশযানটি মঙ্গলের অপর উপগ্রহ ডেইমোসও পর্যবেক্ষণ করবে। তবে সেখানে অবতরণ করা হবে না। পরবর্তী সময়ে একটি ফেরত ক্যাপসুল পৃথিবীর উদ্দেশে যাত্রা করবে এবং প্রায় ২০৩১ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অবতরণ করবে।
মিতসুবিশি ইলেকট্রিকের প্রকৌশলী আকিনারি উয়েহারা জানান, জাপানের মনুষ্যবিহীন স্মার্ট ল্যান্ডার ফর ইনভেস্টিগেটিং মুন (এসএলআইএম) বা ‘মুন স্নাইপার’ ২০২৪ সালে পৃথিবীর চাঁদে অবতরণের পর একদিকে কাত হয়ে পড়েছিল। এরপরও সেটি তথ্য পাঠাতে সক্ষম হয় এবং চাঁদের দুই সপ্তাহের কয়েকটি রাতও টিকে ছিল।
মহাকাশ থেকে নমুনা পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার অভিজ্ঞতাও জাপানের রয়েছে। ২০২০ সালে জাক্সার মনুষ্যবিহীন হায়াবুসা-২ পৃথিবী থেকে কয়েকশ কোটি কিলোমিটার দূরে থাকা একটি গ্রহাণু থেকে সংগ্রহ করা ৫.৪ গ্রাম পাথর ও ধুলার নমুনা পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনে।
সূত্র: বাসস

আপনার মতামত লিখুন